1. km.mintu.savar@gmail.com : admin :
  2. coderbruh@protonmail.com : demilation :
  3. editor@biplobiderbarta.com : editor :
  4. same@wpsupportte.com : same :
শিরোনাম:
সাভার শেখ হাসিনা জাতীয় যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউট কেন্দ্রে কমপিউটার প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে সনদ বিতরণ ও নবীনবরণ ও অনুষ্ঠিত: পাবনা জেলায় নতুন পুলিশ সুপার হিসেবে নিয়োগ পেলেন আকবর আলী মুনসী || পাবনার-সাঁথিয়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ও কর্মচারীর বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত || সাঁথিয়ার কাশিনাথপুরে বাসের ধাক্কায় ৩ জন নিহত যুক্তিসংগত কারণে আমরা এই মতবিনিময়ে যাওয়ার প্রয়োজন মনে না করায় সভায় উপস্থিত হইনি স্থায়ী মজুরি কমিশন গঠন করে জাতীয় ন্যূনতম মজুরি ২০ হাজার টাকা ঘোষণার দাবি নতুন নাটক শর্ট ফিল্ম ‘একদিন সকালে || আশুলিয়া রিপোটার্স ক্লাবের নতুন কমিটির শপথ গ্রহন অনুষ্ঠিত বাংলাদেশে দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারীসমাজ বৈষম্য ও সহিংসতার শিকার সাঁথিয়া উপজেলার নির্বাহী অফিসার এর সাথে ইউডিসি উদ্যোক্তাদের আলোচনা অনুষ্ঠিত

কথা গুলো কে কিভাবে নিবেন আমি জানি না

Biplobider Barta
  • প্রকাশ : বুধবার, ২৬ জানুয়ারী, ২০২২
  • ৪১১ বার পড়া হয়েছে

জানতে চেয়েছিলেন না, করোনা মহামারীতে গার্মেস্টস শ্রমিকের দিনকাল কেমন কেটেছিলো

শুনুন তবে আমার টা

আমি আর আমার স্বামী আশিক দুইজন একটা কারখানায় চাকরি করতাম, আশিক হেলপার ছিলো,, আশিক যা টাকা বেতন পেতো সেইটা ওর মা আর বোনকে দিয়ে দিত। আর আমার টাকা দিয়ে আমার সংসার চলতো।আমি গার্মেস্টস এ চাকরি করি বলে আশিকের মা বোন আমাকে পছন্দ করতো না। হটাৎ একদিন ওর চাকরি টা চলে গেল। তারপর থেকেই আমাদের দুজানার মধ্যে রোজই কিছু না কিছু নিয়ে অশান্তি হতো। তারপর একদিন আশিক আমাকে ছেড়ে চলে গেল। অনেকগুলো টাকা রিন ছিলো আমাদের।

তো কিছুতেই বুঝতে পারছিলাম না কি দিয়ে কিভাবে চলবো,, আশিক চলে যাওয়ার পরে যা বেতন পেতাম রিন আর বাসা ভাড়া দিয়েই শেষ হয়ে যেতে, নিজের খাবার টাকাটাও থাকতো না।।

ঘরের দরজা বন্ধ করে একা একা চিৎকার করে কাঁদতাম।তার মধ্যে হঠাৎ একদিন খুব জ্বর হলো আমার, জ্বর নিয়েই অফিসে গেলাম ডাক্তার বললো তোমার শরীরে জ্বর তোমাকে ডিউটি দেওয়া যাবেনা।তুমি করোনা টেষ্ট করিয়ে তারপর আসবা। একজনের কাছে জিজ্ঞেস করলাম আচ্ছা করোনা টেষ্ট করাতে কতোটাকা লাগে, তিনি বললেন তিন হাজার,

পরে আমি ডাক্তার কে বললাম মেডাম এতো টাকা আমার কাছে নেই, মেডাম বললো আমি কিছু জানিনা, তাই বলে আমাকে বাসায় পাঠিয়ে দিলো আমি বাসায় এসে কাঁদছিলাম যে আমি এখন কি করবো, করোনা টেষ্ট না করালেও আমার চাকরি টা চলে যাবে।তাই মধ্যে একদিন আমি যেই ফেডারেশনে যেতাম সেই ফেডারেশনের একজন নেতা বাবুল আক্তার ভাই কোনভাবে জানতে পারে আমি বেশ কিছুদিন কারখানায় যায় না। তো তিনি একদিন আমাকে ফোন দিয়ে জিজ্ঞেস করলো সিমা আপনি অফিসে যান না কেন। ওনার কথার উত্তরে আমি চিৎকার করে কেঁদে ফেললাম আর বললাম ভাই আমাকে করোনা টেষ্ট না করিয়ে অফিসে যেতে বারণ করেছে।তারপর বাবুল ভাই আমাদের লাবনি আপা আর ইব্রাহিম ভাই কে দিয়ে কিছু টাকা পাঠালো, সেই টাকা দিয়ে আমি শেখ ফজিলাতুন্নেছা হসপিটালে গিয়ে করোনা টেষ্ট করায়, যদিও রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছিলো

আসলেই কিছু মানুষের রিন কখনোই শোধ করা যায় না,,

সেই খারাপ সময়টারকথা মনে পড়লে আজও খুব কষ্ট হয়

আর কথা গুলো আমি এই জন্যই বললাম

কারণ আমরা একটা মালিকের কারখানায় কাজ করি ৫ বচ্ছর ১০ বছর করে সারা বছরে মালিকদের কত কতো টাকা লাভ করে দিই

মহামারীর মধ্যে সবাই যখন ঘরে ছিলো

এইর আমরা শ্রমিকরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ও কাজ করে গেছি,

মালিকরা কি চাইলে পারতো না করোনাকালীন সময়ে নিজে দ্বায়ীত্বে আমাদের টেস্ট গুলো করাতে আব্যশই পারতো

কিন্তু তারা সেইটা করিনি

কারণ তারা তখন ব্যাস্ত ছিলো তাদের স্বার্থ নিয়ে

কিভাবে শ্রমিক ছাঁটাই করা যায়

কিভাবে ৫ জনের কাজ ২ জনকে দিয়ে করানো যায়

ওই উছিলায় কিভাবে শ্রমিকদের মজুরি কম দেওয়া যায়

আমি মনে করি আমার এই পোস্ট টা থেকে শ্রমিকদের আরো সচেতন হ’য়ে যাওয়া উচিত

 

লেখকঃ সিমা আক্তার, গার্মেন্ট শ্রমিক।

(লেখাটি লেখকের হুবুহু লেখা তুলেধরা হয়েছে, এখানা বানান ও ভাষাগত কিছু ভুল থাকতে পারে)

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

আমাদের পেজ