1. km.mintu.savar@gmail.com : admin :
  2. coderbruh@protonmail.com : demilation :
  3. editor@biplobiderbarta.com : editor :
  4. same@wpsupportte.com : same :
শিরোনাম:
পাবনার আমিনপুরে শরীরকে সুস্থ রাখাতে প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত | বেড়ার নতুন_ভারেঙ্গা বাজারে ৪ টি দোকান আগুনে পুড়ে ছাই । ট্রেনের ধাক্কায় পাবনার সাঁথিয়ায় মোটর সাইকেল আরোহী নিহত || আমিনুল ইসলাম শামার ২য় মৃত্যুবার্ষিকীতে ৩ দিন ব্যাপি কর্মসূচি আগামী ২৫ আগস্ট বৃহস্পতিবার সারাদেশে অর্ধদিবস হরতাল ঘোষণা চা শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধিসহ ন্যায্য দাবিসমুহ মেনে নেওয়ার আহবান সাঁথিয়ার পাইকরহাটী শহীদনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের আয়োজনে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত || সাভার শেখ হাসিনা জাতীয় যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউট কেন্দ্রে কমপিউটার প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে সনদ বিতরণ ও নবীনবরণ ও অনুষ্ঠিত: পাবনা জেলায় নতুন পুলিশ সুপার হিসেবে নিয়োগ পেলেন আকবর আলী মুনসী || পাবনার-সাঁথিয়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ও কর্মচারীর বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত ||

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মারা গেছেন ১৩৪ জন,শনাক্ত হয়েছে ৬ হাজার ২১৪ জনের।

Khairul Mamun Mintu
  • প্রকাশ : শনিবার, ৩ জুলাই, ২০২১
  • ৫০২ বার পড়া হয়েছে

দেশে টানা সাত দিন করোনাভাইরাসে শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় (শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে আজ শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) করোনায় মারা গেছেন ১৩৪ জন। এই সময়ে করোনা শনাক্ত হয়েছে ৬ হাজার ২১৪ জনের।

আজ শনিবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শেষ ২৪ ঘণ্টার করোনা পরিস্থিতির তথ্য জানানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ২৪ ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ১৪৩ জনের মৃত্যুর খবর জানায় গত বৃহস্পতিবার। গতকাল শুক্রবার ১৩২ জনের মৃত্যুর কথা জানানো হয়।
সব মিলিয়ে দেশে এ পর্যন্ত করোনা সংক্রমিত শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে মোট ৯ লাখ ৩৬ হাজার ২৫৬। মোট মৃত্যু হয়েছে ১৪ হাজার ৯১২ জনের। সুস্থ হয়েছেন ৮ লাখ ২৯ হাজার ১৯৯ জন। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৩ হাজার ৭৭৭ জন।

শেষ ২৪ ঘণ্টায় সবচেয়ে বেশি ৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছে খুলনা বিভাগে। ঢাকা বিভাগে মৃত্যু হয়েছে ৩৮ জনের। রাজশাহী বিভাগে ২৩, রংপুরে ১৫ জন ও চট্টগ্রাম বিভাগে মারা গেছেন ১১ জন করে। বাকিরা অন্য বিভাগের। গত ২৪ ঘণ্টায় মোট ২২ হাজার ৬৮৭ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার বিপরীতে রোগী শনাক্ত দাঁড়িয়েছে ২৭ দশমিক ৩৯ শতাংশ।

এর আগে গতকাল শুক্রবার করোনায় মারা যান ১৩২ জন। ওই সময় করোনা শনাক্ত হয় ৮ হাজার ৪৮৩ জনের।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মানদণ্ড অনুযায়ী, কোনো দেশে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে কি না, তা বোঝার একটি নির্দেশক হলো রোগী শনাক্তের হার। কোনো দেশে টানা দুই সপ্তাহের বেশি সময় পরীক্ষার বিপরীতে রোগী শনাক্ত ৫ শতাংশের নিচে থাকলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে বলে ধরা যায়। সেখানে কয়েক দিন ধরে বাংলাদেশে রোগী শনাক্ত ২০ শতাংশের বেশি হচ্ছে।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম নতুন করোনাভাইরাস সংক্রমণ দেখা দেয়। পরে তা সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। দেশে প্রথম করোনা সংক্রমণ শনাক্ত হয় গত বছরের ৮ মার্চ। এরপর ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে সংক্রমণ। গত বছরের শেষ দিকে এসে সংক্রমণ কমতে থাকে। দেশে এ বছরের মার্চ থেকে নতুন করে করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যু বাড়তে থাকায় টানা বিধিনিষেধ চলছে।

এবার করোনার ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হয় গত ঈদুল ফিতরের পরপরই। ভারত সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে রোগী দ্রুত বাড়তে থাকে। পরে তা আশপাশের জেলায়ও ছড়িয়ে পড়েছে। এক মাসের ব্যবধানে দৈনিক শনাক্ত রোগীর সংখ্যা, মৃত্যু ও শনাক্তের হার কয়েক গুণ বেড়েছে।
বর্তমানে দেশের অধিকাংশ জেলা করোনার ভয়াবহতার ঝুঁকিতে রয়েছে। ১৪ থেকে ২০ জুন নমুনা পরীক্ষা ও রোগী শনাক্তের হার বিবেচনায় নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সাপ্তাহিক রোগতাত্ত্বিক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের ৬৪ জেলার মধ্যে ৪০টিই সংক্রমণের অতি উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে।

পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হওয়ায় ২২ জুন থেকে ঢাকাকে সারা দেশ থেকে অনেকটা বিচ্ছিন্ন রাখার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। সেই প্রচেষ্টায় ঢাকার আশপাশের চারটি জেলাসহ মোট সাতটি জেলায় জরুরি সেবা ছাড়া সব ধরনের চলাচল ও কার্যক্রম ৩০ জুন মধ্যরাত পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল। তবে এরপরও করোনা সংক্রমণ বাড়তে থাকায় সোমবার সকাল থেকে সারা দেশে সব গণপরিবহন ও মার্কেট-শপিং মল বন্ধ করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হয়েছে সর্বাত্মক লকডাউন, বন্ধ রয়েছে সব সরকারি-বেসরকারি অফিস।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

আমাদের পেজ