1. km.mintu.savar@gmail.com : admin :
  2. coderbruh@protonmail.com : demilation :
  3. editor@biplobiderbarta.com : editor :
  4. same@wpsupportte.com : same :
শিরোনাম:
সাভার শেখ হাসিনা জাতীয় যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউট কেন্দ্রে কমপিউটার প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে সনদ বিতরণ ও নবীনবরণ ও অনুষ্ঠিত: পাবনা জেলায় নতুন পুলিশ সুপার হিসেবে নিয়োগ পেলেন আকবর আলী মুনসী || পাবনার-সাঁথিয়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ও কর্মচারীর বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত || সাঁথিয়ার কাশিনাথপুরে বাসের ধাক্কায় ৩ জন নিহত যুক্তিসংগত কারণে আমরা এই মতবিনিময়ে যাওয়ার প্রয়োজন মনে না করায় সভায় উপস্থিত হইনি স্থায়ী মজুরি কমিশন গঠন করে জাতীয় ন্যূনতম মজুরি ২০ হাজার টাকা ঘোষণার দাবি নতুন নাটক শর্ট ফিল্ম ‘একদিন সকালে || আশুলিয়া রিপোটার্স ক্লাবের নতুন কমিটির শপথ গ্রহন অনুষ্ঠিত বাংলাদেশে দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারীসমাজ বৈষম্য ও সহিংসতার শিকার সাঁথিয়া উপজেলার নির্বাহী অফিসার এর সাথে ইউডিসি উদ্যোক্তাদের আলোচনা অনুষ্ঠিত

গার্মেন্ট শ্রমিকদের জীবন সংগ্রাম

Km Mintu
  • প্রকাশ : শনিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২১
  • ৭৮৩ বার পড়া হয়েছে

গার্মেন্ট শ্রমিকদের জীবন চলে লড়াইয়ের মধ্যে! তাদের প্রতিটা মুহূর্ত লড়াই সংগ্রামের মধ্যে পার করা লাগে।সূর্য উঠার আগেই তাদের বেলা হয়!যেখানে আমরা সাধারণ লোকজন ঘুমাই ৮-৯ ঘন্টা কিন্তু তারা ঠিক মতো ৫ ঘন্টাও ঘুমাতে পারেনা। তাদের কাঁধে থাকে হাজার দায়িত্ব কিন্তু চোখে থাকেনা তাদের নিজেদের জন্য কোনো স্বপ্ন! স্বপ্নকে কবর দিয়ে নেয় পরিবারের সমস্ত দায়ভার। ছোট ভাইবোনকে পড়ানো থেকে শুরু করে মা-বাবার ঔষধের দায়িত্বটাও তার কাঁধে চলে আসে। আমি এখন যেই বয়সে স্কুল-কলেজ তারপর বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে ঘুরেবেড়ানো এইসব করেই দিন পার করি কিন্তু আমার বয়সে তারা, তার গ্রাম শহর ছেড়ে চলে আসে এই ব্যস্ত শহরে যেখানে মানুষ মানুষের মনুষ্যত্ব ভুলে হায়ানে পরিনত হয়ে গেছে!না আমি বলছিনা সবাই একই কিন্তু বেশিরভাগই এমন মানুষ যাদের মনুষ্যত্ববোধ বলতে কিচ্ছু নেই!

জীবনের প্রতিটা মুহূর্তই হয় লড়াইয়ে কিন্তু গার্মেন্ট শ্রমিকদের সাথে না থাকলে বুঝা সম্ভব না তাদের জীবন টা আসলে কেমন! যেটা আমি আমার মা’কে না দেখলে বুঝতাম না। সেও একজন গার্মেন্টসের কর্মী! আমার জন্মের পর থেকে সে একাই একজন নারী হয়ে আমার সমস্ত দায়ভার নিয়েছে।যেটা আমার জন্মদাতা বাবাও আমাদের দায়ভার নেয়া থেকে সরে আসছে!এখানে আমার কথাটা বলার কারণ ছবিতে যে নারীকে দেখতিছেন সে একজন গার্মেন্ট শ্রমিক। সে একাই তার ফ্যামিলির দায়িত্ব পালন করে! বিয়েতে তার পাড়া-প্রতিবেশী আর মা ছাড়া কাউকে দেখলাম না!আমার মা আমাকে নিয়ে গেলো তাদের বাসায়।বসে বসে তারা বউকে সাজাচ্ছিলো আর কত কথাই না বলছিলো। প্রথমে আমি ভেবেছিলাম মেয়ের পরিবারের সবাই এখানেই হয়তো আছে কিন্তু বাসায় এসে মা বললো উনার মা আর পাশের রুমের লোকজন এগুলো কিন্তু তাদের মিলটা দারুণ লাগছিলো মনে হচ্ছিলো সবই একই পরিবারের লোকজন। নিজের ভীটা-ভাটা ছেড়েও এসেও এই ব্যস্ত শহরে আরেকটা পরিবার পেয়েছে সে।এই মহিলার জীবনের অতীতও শুনলাম! তার এর আগেও আরেকটি বিয়ে হয়েছিলো কিন্তু তার স্বামী তাকে ছেলে অন্য একজনের সঙ্গে চলে যায় কিন্তু এটা ভালো লেগেছে যার সাথে বিয়ে হচ্ছে সেই ব্যক্তি সব জেনে তাকে আপন করতে চেয়েছে।কিছু কিছু পুরুষ আজও এমন যে ভালোবাসাকে গুরুত্ব দিয়ে অতীতকে সরিয়ে তাকে নিয়ে বর্তমান ও ভবিষ্যৎ এর চিন্তা করতে চেয়েছে!

তাদের জন্য শুভ কামনা

লিখেছেনঃ ফারিয়া রহমান বৃষ্টি
সদস্য ঢাকা মহানগর আহবায়ক কমিটি
বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

আমাদের পেজ