1. km.mintu.savar@gmail.com : admin :
  2. coderbruh@protonmail.com : demilation :
  3. editor@biplobiderbarta.com : editor :
  4. same@wpsupportte.com : same :

শূন্যের যে রেকর্ডে তামিমই থাকছেন বারবার

বিপ্লবীদের বার্তা রিপোর্ট :
  • প্রকাশ : সোমবার, ২৩ মে, ২০২২
  • ৫৪ বার পড়া হয়েছে
আজ শূন্য রানে আউট হয়েছেন তামিম
আজ শূন্য রানে আউট হয়েছেন তামিম
দ্বিতীয় বলেই ফিরেছেন মাহমুদুল

দ্বিতীয় বলেই ফিরেছেন মাহমুদুল

দিনের দ্বিতীয় বলেই ধাক্কা খেয়েছে বাংলাদেশ। কাসুন রাজিতার বল উইকেটে পড়ে ভেতরে ঢুকছিল। সেটা মাহমুদুল হাসানের ব্যাট ও প্যাডের মাঝ দিয়ে ঢুকে স্টাম্প ভেঙে দিয়েছে। টেস্ট ক্যারিয়ারের নবম ইনিংসে চতুর্থ শূন্য নিয়ে ফিরেছেন মাহমুদুল। ৭ বল পর শূন্য হাতে ফেরার পালা তামিম ইকবালের। আসিতা ফার্নান্দোর মিডল স্টাম্পে পড়া বল লেগ সাইডে খেলতে চেয়েছিলেন তামিম। লিডিং এজ। পয়েন্টে থাকা প্রবীণ জয়াবিক্রমা ডান দিকে ঝাঁপিয়ে বলটা ধরে ফেললেন। ৪ বল খেলা তামিম ফিরলেন ড্রেসিংরুমে।

একদিক থেকে এটাই মাইলফলক। নবম বাংলাদেশি হিসেবে টেস্ট ক্রিকেটে অন্তত ১০ বার শূন্য রানে আউট হলেন তামিম। সবচেয়ে এগিয়ে মোহাম্মদ আশরাফুল (১৬)। এরপরই আছেন মাশরাফি বিন মুর্তজা (১২), মুশফিকুর রহিম (১২), খালেদ মাসুদ (১১), মাহমুদউল্লাহ (১১), মুমিনুল হক (১১), মঞ্জুরুল ইসলাম (১০), শাহাদাত হোসেন (১০)। এই তালিকার নবতম সংযোজন তামিম।

১০ বলের মধ্যে দুই ওপেনারকে তুলে নেওয়ার উল্লাস শ্রীলঙ্কার

১০ বলের মধ্যে দুই ওপেনারকে তুলে নেওয়ার উল্লাস শ্রীলঙ্কার

এই তালিকার নতুন সদস্য হলে আরেকটি জায়গায় তামিমই সর্বেসর্বা। বাংলাদেশের হয়ে ইনিংস উদ্বোধন করতে নেমে এখন পর্যন্ত ১৬ জন ব্যাটসম্যান শূন্য রানে আউট হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ১০ বার শূন্য রানে আউট হয়েছেন তামিম। বাকি ১৫ জন মিলে শূন্য রানে আউট হয়েছেন ৩৭ বার। অর্থাৎ, বাংলাদেশের ওপেনারদের টেস্টে এখন পর্যন্ত ৪৭ বার শূন্য রানে আউট হওয়ার নজির আছে। এর মাঝে মাত্র তিনবার একই ইনিংসেই দুই ওপেনার শূন্য রানে আউট হয়েছেন। তিনবারই মিরপুরে, তিনবারই এক প্রান্তে ছিলেন তামিম।

ব্যাটসম্যান স্কোর প্রতিপক্ষ
তামিম ইকবাল ০(৮) ভারত, ২০১০
ইমরুল কায়েস ০(১) ভারত, ২০১০
তামিম ইকবাল ০(৮) জিম্বাবুয়ে, ২০১৪
শামসুর রহমান ০(১২) জিম্বাবুয়ে, ২০১৪
মাহমুদুল হাসান ০(২) শ্রীলঙ্কা, ২০২২
তামিম ইকবাল ০(৪) শ্রীলঙ্কা, ২০২২

এমনটা প্রথম ঘটেছে ২০১০ সালে, ভারতের বিপক্ষে। ২৪ জানুয়ারি শুরু হওয়া সেই টেস্টের প্রথম দিনে দ্বিতীয় ওভারের প্রথম বলে গোল্ডেন ডাক নিয়ে ফিরেছিলেন ইমরুল কায়েস। পরের ওভারেই শূন্য হাতে ফেরেন তামিম। দ্বিতীয়বার বাংলাদেশ এমন কিছু দেখেছে ২০১৪ সালে। সেবার প্রতিপক্ষ ছিল জিম্বাবুয়ে। ২৭ অক্টোবর মাত্র ১০১ রানের লক্ষ্য পেয়েছিল বাংলাদেশ। জবাবে শুরুটা হয়েছিল ভয়ংকর। তৃতীয় ওভারে দলকে শূন্য রানে রেখে ফিরেছেন তামিম। চতুর্থ ওভারে স্কোরবোর্ডে নড়চড়ের সুযোগ না দিয়েই ফিরেছেন অন্য ওপেনার শামসুর রহমান।

এরপর আবার আজ দুই ওপেনারকে শূন্য রানে হারাল বাংলাদেশ। তবে দুই ওপেনার মিলে সবচেয়ে কম বল আজই খেলেছেন তামিমরা। ২০১০ সালে দুই ওপেনার মিলে খেলেছেন ৯ বল। ২০১৪ সালে ২০ বল খেলেছেন তামিম ও শামসুর। আজ মাহমুদুল ও তামিম মিলে খেলেছেন মাত্র ৬ বল। তিনবারই মিরপুরের উইকেটে প্রতিপক্ষ পেসারদের কাছে বিদায় নিয়েছেন বাংলাদেশের দুই ওপেনার।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

আমাদের পেজ