1. km.mintu.savar@gmail.com : admin :
  2. coderbruh@protonmail.com : demilation :
  3. editor@biplobiderbarta.com : editor :
  4. same@wpsupportte.com : same :
শিরোনাম:
বাংলাদেশ মাইম এসোসিয়েশন কর্তৃক আয়োজিত ঢাকার জিগাতলা ফাতেমা ল কলেজে মূকাভিনয় কর্মশালা অনুষ্ঠিত পাবনা ঈশ্বরদীর কৃতি সন্তান চিকিৎসক ডা. রায়ান সাদী নোবেল পুরস্কারের জন্য মনোনীত || উদ্বোধন হলো পণ্যের আলো ই-কমার্স ওয়েভসাইট বিশ্ববাজারে ধারাবাহিকভাবে পড়ছে অপরিশোধিত তেলের দর দলীয় সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়: মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম ইজিবাইক নিয়ে যেসব প্রশ্ন করে না গণমাধ্যম প্রয়োজন শুধু আত্মবিশ্বাস আন্তর্জাতিক কুরআন প্রতিযোগিতায় হাফেজ সালেহ আহমদ তাকরিমের তৃতীয় স্থান অর্জন || পারি ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের জন্য শিক্ষা কার্যক্রম শুরু । হামলা- মামলা- খুন করে সরকার মানুষকে ভয় দেখাচ্ছে

টিপ পরার কারণে ড. লতা সমাদ্দারকে হয়রানিকারীর দৃষ্টান্তমূলক বিচার দাবি

Biplobider Barta
  • প্রকাশ : রবিবার, ৩ এপ্রিল, ২০২২
  • ২০৯ বার পড়া হয়েছে

গত ২ এপ্রিল তেজগাঁও কলেজের থিয়েটার অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষক ড. লতা সমাদ্দারকে টিপ পরার কারণে হয়রানির ঘটনাটি খুবই উদ্বেগজনক। আমরা বাংলাদেশের নারীসমাজের পক্ষ থেকে এ ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ এবং হয়রানিকারীর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ নারী প্রগতি সংঘ (বিএনপিএস) এর নির্বাহী পরিচালক রোকেয়া কবীর।

রোকেয়া কবীর বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছর পার হবার পরও এ ধরনের ঘটনা মুক্তিযুদ্ধের ৩০ লক্ষ শহিদ, ৫ লক্ষ নারীর অবর্ণনীয় ও অসহনীয় যৌন নির্যাতনের শিকার হওয়া এবং বঙ্গবন্ধুর ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র গড়ার আকাক্সক্ষার প্রতি চরম অশ্রদ্ধা। এ ধরনের ঘটনা একইসঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের বৈষম্যহীন সমাজ ও রাষ্ট্র গড়ার চেতনাকে সরাসরি অস্বীকার, মানবাধিকারের মৌলিক চেতনার লঙ্ঘন, নারীর প্রতি সকল প্রকার বৈষম্য বিলোপ সনদ (সিডও)-এর বিরোধিতা এবং ‘কাউকে পেছনে ফেলে রাখা যাবে না’ এই মূলনীতির আলোকে গৃহীত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্য (এসডিজি)-এর বিরুদ্ধে দাঁড়ানো।

রোকেয়া কবীর আরো বলেন, বাংলাদেশের সংবিধান ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, লিঙ্গ নির্বিশেষে সকল ক্ষেত্রে সকল নাগরিকের সমান অধিকার নিশ্চিত করেছে এবং অঙ্গীকার করেছে যে রাষ্ট্র ও গণজীবনের সর্বস্তরে নারী পুরুষের সমান অধিকার লাভ করবে। কাজেই কোনো নাগরিক বা রাষ্ট্রের কোনো কর্মচারীই অন্য কোনো নাগরিকের স্বাভাবিক চলাচল বিঘ্নিত হয় বা তার মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয় এমন কোনো কাজ করবার অধিকার সংরক্ষণ করেন না।

রোকেয়া কবীর আরো বলেন, আমরা লক্ষ করেছি, নারীদের স্বাভাবিক চলাফেরা বিঘ্নিত করতে ধর্ম ব্যবসায়ী ও সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্নভাবে অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এই গোষ্ঠী প্রায়ই নারীর পোশাকআশাক নিয়ে জনসমক্ষে আপত্তিকর আচরণ করছে এবং তাদের বিরুদ্ধে সহিংস ও যৌন আক্রমণ চালাচ্ছে। এরা ৭১-এর পরাজিত ধর্মান্ধ ও মৌলবাদী শক্তি, যারা ৭৫-এ বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার মাধ্যমে এ দেশের অগ্রযাত্রাকে লক্ষ্যচ্যুত করেছিল। আমরা মনে করি, উল্লিখিত হয়রানিকারী পুলিশ বাহিনীতে ওই গোষ্ঠীরই প্রতিনিধিত্ব করছেন।

রোকেয়া কবীর আরো বলেন, সংবিধানের ২১ (২) ধারায় বর্ণিত আছে, ‘সকল সময়ে জনগণের সেবা করিবার চেষ্টা করা প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিযুক্ত প্রত্যেক ব্যক্তির কর্তব্য’। সে অনুযায়ী টহলের দায়িত্বে থাকা পুলিশবাহিনীর একজন সদস্যের কাজ হলো আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যাতে বিঘ্নিত না হয় তার দেখভাল করা এবং নাগরিকদের স্বাভাবিক জীবনযাপন ও চলাফেরায় সহযোগিতা দেওয়া। কিন্তু তিনি স্পষ্টতই প্রজাতন্ত্রের চাকুরির সাংবিধানিক শর্ত লঙ্ঘন করেছেন, যা যে কোনো বিবেচনায় মারাত্মক অপরাধ।

রোকেয়া কবীর আরো বলেন, আমরা আশা করি, কর্তৃপক্ষ অভিযুক্ত ব্যক্তিকে শনাক্ত করে দ্রত বিচারের আওতায় আনবে এবং তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করবে। পাশাপাশি রাষ্ট্রের যে কোনো নাগরিক বা সরকারি কর্মকর্তা বা কর্মচারী কর্তৃক মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও সংবিধান লঙ্ঘনের কোনো ঘটনা যাতে আর একটিও না ঘটতে পারে, তার জন্য যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্যও আমরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি।

এ ছাড়াও, সকল সচেতন ও সমান অধিকারকামী জনগণ ও সাংবাদিকদের প্রতিও এ সমস্ত ঘটনার বিরুদ্ধে সোচ্চার হবার আহ্বান তিনি জানান।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

আমাদের পেজ