1. km.mintu.savar@gmail.com : admin :
  2. coderbruh@protonmail.com : demilation :
  3. editor@biplobiderbarta.com : editor :
  4. same@wpsupportte.com : same :

ঝিনাইদহের ত্রিলোচনপুর ইউপির নজরুল ইসলাম ঋতু  প্রথম তৃতীয় লিঙ্গের চেয়ারম্যান নির্বাচিত ।

বিশেষ প্রতিনিধি: মো: রাকিবুল হাসান
  • প্রকাশ : রবিবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২১
  • ৩১৯ বার পড়া হয়েছে

দেশে প্রথম তৃতীয় লিঙ্গের ইউপি চেয়ারম্যান হিসেবে বেসরকারিভাবে নির্বচিত হয়েছেন ঝিনাইদহ জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার ত্রিলোচনপুর ইউনিয়নের স্বতন্ত্র প্রার্থী নজরুল ইসলাম ঋতু। এর আগে পার্শ্ববর্তী কোটচাঁদপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে তৃতীয় লিঙ্গের প্রার্থী সাদিয়া আক্তার পিংকী সরাসরি ভোটে ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছিলেন। নজরুল ইসলাম ঋতুর প্রতীক ছিলো আনারস। এ ইউনিয়নে নৌকা প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন নজরুল ইসলাম ছানা ও হাতপাখা প্রতীকের মাহবুবুর রহমান।

রোববার (২৮ নভেম্বর) অনুষ্ঠিত ভোটে প্রাপ্ত ফলাফলে ত্রিলোচনপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৯টি ভোট কেন্দ্রে নজরুল ইসলাম ঋতু আনারস প্রতিক নিয়ে ৯০৪৯ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দি নৌকার নজরুল ইসলাম ছানা পান ৩৮৪২ ভোট।

নজরুল ইসলাম ঋতু কালীগঞ্জে উপজেলার দাদপুর গ্রামের আব্দুল কাদেরের সন্তান। তার আরো তিন ভাই ও তিন বোন রয়েছে। তিন ভাই ঢাকায় থাকেন এবং বোনেদের সব বিয়ে হয়ে গেছে। জন্মের পর তৃতীয় লিঙ্গ প্রকাশ পাওয়ার পর ৫ বছর বয়সে তাকে গ্রাম ছেড়ে ঢাকাতে চলে যেতে হয়। সামান্য লেখাপড়া করলেও সামাজিক নানা প্রতিবন্ধকতায় প্রাথমিকের গন্ডি পেরোনো হয়নি। ছোটবেলা থেকেই ঢাকার ডেমরা এলাকায় তার দলের গুরুমার কাছে বেড়ে ওঠেন। এখন তার বয়স ৪৩ বছর।=

এলাকাবাসি জানায়, ঋতু ঢাকাতে থাকলেও পরিবারের টানে প্রায়ই তিনি গ্রামের বাড়িতে আসেন। ১৫ বছর ধরে তিনি ত্রিলোচনপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের অসহায় মানুষকে আর্থিক সহযোগীতা করে আসছেন। দুটি মসজিদ করেছেন এবং বিভিন্ন মন্দিরের জন্য সহায়তা করেছেন। এভাবেই এলাকায় তার পরিচিতি ও জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকে। নজরুল ইসলাম ঋতু বলেন, সত্যি কথা বলতে নির্বাচন কি তা বুঝিনি।

এলাকার মানুষ আমাকে ভালোবেসে ভোটে দাড় করিয়েছেন। আমার পরিবারের সবাই আওয়ামী লীগ করলেও আমার কখনো সক্রিয়ভাবে রাজনীতি করা হয়নি। ভোটে জয়ী হয়ে চেয়ারম্যান হয়েছি, এখন জীবনের বাকি সময় নিজ ইউনিয়নবাসির সেবা করতে চাই। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার হিজড়াদের ভোটাধিকার ও নানান সুযোগ সুবিধা করে দিয়েছেন। হিজড়া হওয়াতে আমার কোন দুঃখ নেই। আল্লাহ পাক আমাকে সুস্থ্যভাবে বাঁচিয়ে রেখেছেন এতেই আমি সন্তুষ্ট।  প্রশাসন কঠোর থাকায় সুষ্ঠ ভোট হয়েছে। এতে আমি নির্বাচন সংশ্লিষ্টদের প্রতি কৃতজ্ঞ।

 

 

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

আমাদের পেজ