1. km.mintu.savar@gmail.com : admin :
  2. editor@biplobiderbarta.com : editor :
শিরোনাম:
দেশে করোনায় মৃত্যু বাড়ল, ৫১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত হয়েছে এক হাজার ৯০১ জন। দেশে আগস্টের চেয়ে সেপ্টেম্বরে ডেঙ্গু রোগী বাড়ছে পোশাক রপ্তানিতে ভিয়েতনামের চেয়ে আবার এগিয়ে বাংলাদেশ প্রণোদনা ঋণ ৩৬ কিস্তিতে পরিশোধের সুবিধা চায় বিজিএমইএ পোশাক খাতের ১৬ শতাংশ শ্রমিকের কম মজুরি পাওয়ার শঙ্কায় হাসেম ফুড কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে মালিকসহ দায়ীদের শাস্তি ও ক্ষতিপূরণের দাবি শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরী ২১ হাজার টাকা নির্ধারণসহ দশ দফা দাবীতে সাংবাদিক সম্মেলন শক্তি ফাউন্ডেশনের উদ্দ্যোগে পাবনা- কাশিনাথপুরে করোনা সচেতনতায়  মাস্ক বিতরণ: হাসেম ফুড কারখানায় আরও একটি খুলিসহ কঙ্কাল ও হাড় উদ্ধার গার্মেন্ট শ্রমিকদের সুরক্ষায় ৫০ ইউনিয়নের যৌথ বিবৃতি

পোশাক রপ্তানিতে ভিয়েতনামের চেয়ে আবার এগিয়ে বাংলাদেশ

বিপ্লবীদের বার্তা // Biplobider Barta
  • প্রকাশ : বুধবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৩৫ বার পড়া হয়েছে

বৈশ্বিক পোশাক রপ্তানিতে গত বছর বাংলাদেশকে টপকে গিয়েছিল ভিয়েতনাম। তবে চলতি বছরের প্রথমার্ধে আবার এগিয়ে গেছে বাংলাদেশ। গত জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত সাত মাসে ভিয়েতনামের চেয়ে বাংলাদেশ ১৯৩ কোটি ৬৯ লাখ মার্কিন ডলারের পোশাক রপ্তানি বেশি করেছে বলে দাবি করেছে তৈরি পোশাকশিল্পের মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ।

বিজিএমইএ কর্তৃপক্ষ জানায়, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত সাত মাসে ১ হাজার ৮৭৯ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি করেছে বাংলাদেশ। আর একই সময়ে ১ হাজার ৬৮৬ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি করেছে ভিয়েতনাম। ২০১৯ সালের জানুয়ারি থেকে জুলাইয়ের তুলনায় চলতি বছরের একই সময়ের বাংলাদেশ ও ভিয়েতনামের পোশাক রপ্তানি ৭ শতাংশ কমেছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বিজিএমইএর পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল বলেন, ‘বাংলাদেশ ও ভিয়েতনামের সরকারি তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম সাত মাসে পোশাক রপ্তানিতে বাংলাদেশ স্পষ্টভাবে ভিয়েতনামের চেয়ে এগিয়ে রয়েছে। তা ছাড়া ভিয়েতনাম সরকার পোশাকের সঙ্গে বস্ত্র খাতের রপ্তানি একত্রে প্রকাশ করে। ফলে আমরা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলতে পারি যে বাংলাদেশ চলতি বছর আবার পোশাক রপ্তানিতে দ্বিতীয় শীর্ষ অবস্থান ফিরে পাবে।’

গত জুলাইয়ে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) ওয়ার্ল্ড ট্রেড স্ট্যাটিস্টিকস রিভিউ ২০২১ প্রতিবেদন প্রকাশ হয়। এতে দেখা যায়, ২০২০ সালে ভিয়েতনাম ২ হাজার ৯০০ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি করেছে। আর বাংলাদেশ রপ্তানি করেছে ২ হাজার ৮০০ কোটি ডলারের পোশাক। অথচ তার আগের বছর বাংলাদেশের রপ্তানি ছিল ৩ হাজার ৪০০ কোটি ডলার। তখন ভিয়েতনামের রপ্তানি ছিল ৩ হাজার ১০০ কোটি ডলার।

রপ্তানির পাশাপাশি বৈশ্বিক বাজারে হিস্যাও কমেছে বাংলাদেশের। ২০১৯ সালে বিশ্বে যত পোশাক রপ্তানি হয়, তার মধ্যে ৬ দশমিক ৮ শতাংশ ছিল বাংলাদেশি। গত বছর সেটি কমে ৬ দশমিক ৩ শতাংশ হয়েছে। অন্যদিকে ভিয়েতনামের বাজার হিস্যা গত বছর ৬ দশমিক ৪ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। অবশ্য ২০১০ সালে বাংলাদেশের হিস্যা ছিল ৪ দশমিক ২ শতাংশ। তখন ভিয়েতনামের ছিল ২ দশমিক ৯ শতাংশ। ১০ বছরের ব্যবধানে সেই ভিয়েতনামই গত বছর বাংলাদেশকে টপকে গেছে।

ডব্লিউটিওর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২০ সালে চীন সবচেয়ে বেশি ১৪ হাজার ২০০ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি করেছে। তার আগের বছরের চেয়ে দেশটির পোশাক রপ্তানি ৭ শতাংশ কমেছে। তারপর চীন বিশ্বের মোট পোশাক রপ্তানি ৩১ দশমিক ৬ শতাংশ দখলে রেখেছে। একক দেশ হিসেবে ভিয়েতনাম দ্বিতীয় পোশাক রপ্তানিকারক হলেও ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত (ইইউ) দেশগুলো সম্মিলিতভাবে এই জায়গা বহুদিন ধরেই দখল করে আছে। গত বছর ইইউর দেশগুলো নিজেদের অঞ্চলে ১২ হাজার ৫০০ কোটি ডলারের পোশাক রপ্তানি করেছে। আর ইইউর বাইরে তাদের রপ্তানির পরিমাণ ৩ হাজার ৮০০ কোটি ডলার।

জানতে চাইলে বিজিএমইএর সহসভাপতি শহিদউল্লাহ আজিম বলেন, ‘আমাদের প্রত্যাশা, চলতি বছর ভিয়েতনামের চেয়ে প্রায় ৪ বিলিয়ন বা ৪০০ কোটি ডলারের বেশি পোশাক রপ্তানি করবে বাংলাদেশ। কারণ, কারখানাগুলোর কাছে পর্যাপ্ত ক্রয়াদেশ রয়েছে। বছরের শুরুতে ইইউভুক্ত দেশগুলোতে রপ্তানি কিছুটা কম ছিল। তবে সেখানেও রপ্তানি বাড়তে শুরু করেছে।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

আমাদের পেজ