1. km.mintu.savar@gmail.com : admin :
  2. editor@biplobiderbarta.com : editor :
শিরোনাম:
দেশে করোনায় মৃত্যু বাড়ল, ৫১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত হয়েছে এক হাজার ৯০১ জন। দেশে আগস্টের চেয়ে সেপ্টেম্বরে ডেঙ্গু রোগী বাড়ছে পোশাক রপ্তানিতে ভিয়েতনামের চেয়ে আবার এগিয়ে বাংলাদেশ প্রণোদনা ঋণ ৩৬ কিস্তিতে পরিশোধের সুবিধা চায় বিজিএমইএ পোশাক খাতের ১৬ শতাংশ শ্রমিকের কম মজুরি পাওয়ার শঙ্কায় হাসেম ফুড কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে মালিকসহ দায়ীদের শাস্তি ও ক্ষতিপূরণের দাবি শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরী ২১ হাজার টাকা নির্ধারণসহ দশ দফা দাবীতে সাংবাদিক সম্মেলন শক্তি ফাউন্ডেশনের উদ্দ্যোগে পাবনা- কাশিনাথপুরে করোনা সচেতনতায়  মাস্ক বিতরণ: হাসেম ফুড কারখানায় আরও একটি খুলিসহ কঙ্কাল ও হাড় উদ্ধার গার্মেন্ট শ্রমিকদের সুরক্ষায় ৫০ ইউনিয়নের যৌথ বিবৃতি

রাজবাড়ীতে ৬৭টি গ্রামের মানুষ পানিবন্দী, কোনো সহযোগিতা পাননি

বিপ্লবীদের বার্তা // Biplobider Barta
  • প্রকাশ : শনিবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৫৪ বার পড়া হয়েছে

রাজবাড়ীতে পদ্মা নদীর পানি আবারও বাড়তে শুরু করেছে। এতে করে জেলার প্রায় ১৩টি ইউনিয়নের ৬৭টি গ্রামে পানি প্রবেশ করেছে। পানিবন্দী এসব পরিবার যাতায়াতসহ গবাদিপশু নিয়ে দুর্ভোগে পড়েছে। তাঁদের অনেকেই কোনো ত্রাণ বা আর্থিক সহযোগিতা পাননি।

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্রে জানা যায়, রাজবাড়ীতে পদ্মায় তিনটি পয়েন্টে পানি বৃদ্ধি পরিমাপ করা হয়। তিনটি পয়েন্টের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পানি বেড়েছে রাজবাড়ী সদর উপজেলায় ১২ সেন্টিমিটার। পাংশার সেনগ্রামে পদ্মা নদীর পানি বিপৎসীমার ১১ দশমিক ৬৬ মিটার, সদর উপজেলার মাহেন্দ্রপুরে ৯ দশমিক ৭৫ মিটার এবং গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়ায় ৮ দশমিক ৬৫ মিটার। গত ২৪ ঘণ্টায় তিনটি পয়েন্টেই পানি বেড়ে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ২৪ ঘণ্টায় দৌলতদিয়ায় ৫ সেন্টিমিটার পানি বেড়ে বিপৎসীমার ৭৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পাংশার সেনগ্রামে ৭ সেন্টিমিটার বেড়ে ৬৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে এবং সদর উপজেলার মাহেন্দ্রপুরে ১২ সেন্টিমিটার বেড়ে পানি বিপৎসীমার ২৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, রাজবাড়ীর পাঁচটি উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নে পানিবন্দী গ্রামের সংখ্যা ৬৭, পরিবারের সংখ্যা ৭ হাজার ৫১৫। ইউনিয়নগুলো হলো রাজবাড়ী সদর উপজেলার মিজানপুর, খানগঞ্জ, চন্দনী, বরাট, গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া, উজানচর, দেবগ্রাম ও ছোট ভাকলা, পাংশা উপজেলার হাবাসপুর ও বাহাদুরপুর, কালুখালী উপজেলার রতনদিয়া ও কালিকাপুর এবং বালিয়াকান্দি উপজেলার নারুয়া। এসব পরিবারের অন্তত সাড়ে ২৮ হাজার মানুষ বসবাস করছে। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে প্রতিদিন পানিবন্দী পরিবারের মধ্যে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, মহাদেবপুর, মধ্য মহাদেবপুর, চরনারায়ণপুর, স্লুইসগেট এলাকা, বেনিনগর, বড়চর বেনিনগর, মেছোঘাটা, সিলিমপুর, চরসিলিমপুর প্রভৃতি এলাকায় লোকালয়ে পানি প্রবেশ করেছে। এতে করে মানুষের যাতায়াতের ক্ষেত্রে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। রাস্তার ধারে শুকনা স্থানে পানিবন্দী মানুষ গরু-ছাগল বেঁধে রেখেছেন। অনেকেই অভিযোগ করেন, তাঁরা কোনো ত্রাণ পাননি। কোনো জনপ্রতিনিধি তাঁদের দেখতে আসেননি।

মহাদেবপুর গ্রামের বাসিন্দা মো. শামীম বলেন, তাঁদের বাড়ির পাশেই বিদ্যালয়। বিদ্যালয় মাঠে কয়েক দিন ধরে পানি এসেছে। আগে একবার চলে গিয়েছিল। মাঠে পানি থাকায় ছেলেমেয়েরা খেলাধুলা করতে পারে না। সামনের রিংরোড ভেঙে গেছে বেশ আগে। ভাঙা রাস্তা দিয়ে লোকালয়ে পানি ঢোকা শুরু করেছে। কয়েক দিনের মধ্যে পুরো এলাকা প্লাবিত হয়ে যাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

একই গ্রামের বাসিন্দা আয়েশা বেগম বলেন, ‘আমার ছয়জন ছেলেমেয়ে। সবারই বিয়ে হয়ে গেছে। ছোট মেয়ের একটি সন্তান হওয়ার পর জামাই পাঠাই দিছে। সে আর আমি একটি ঘরে কোনোমতে থাকি। মেয়ে কাজ করে যা পায়, তাই দিয়ে সংসার চলে। আমরা কোনো সাহায্য সহযোগিতা পাই নাই।’

সালেহা বেগম নামের আরেক নারী বলেন, ‘বাড়িতে পানি উঠেছে সপ্তাহ দুয়েক। বাড়ি থেকে রাস্তায় ওঠার ভালো কোনো ব্যবস্থা নেই। অনেক দিন ধরে একটি রাস্তা করে দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি। এতে করে চলাফেরায় খুব সমস্যা হচ্ছে। ঘর স্যাঁতসেঁতে হয়ে আছে। বাড়ির গবাদিপশু নিয়েও বিপাকে রয়েছি।’

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা সৈয়দ আরিফুল হক বলেন, জেলায় পানিবন্দী পরিবারের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ অব্যাহত রয়েছে। ইতিমধ্যে জেলার ক্ষতিগ্রস্ত ৬ হাজার ৭৭৫ জনকে খাদ্যসহায়তা দেওয়া হয়েছে। আরও এক হাজার পরিবারের জন্য শুকনা খাবার এসেছে। পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন এলাকায় খাদ্যসহায়তা দেওয়া হচ্ছে। আশা করছেন, ক্ষতিগ্রস্ত সবাই সহায়তা পাবেন।

পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্রে জানা যায়, রাজবাড়ীতে পদ্মায় তিনটি পয়েন্টে পানি বৃদ্ধি পরিমাপ করা হয়। তিনটি পয়েন্টের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পানি বেড়েছে রাজবাড়ী সদর উপজেলায় ১২ সেন্টিমিটার। পাংশার সেনগ্রামে পদ্মা নদীর পানি বিপৎসীমার ১১ দশমিক ৬৬ মিটার, সদর উপজেলার মাহেন্দ্রপুরে ৯ দশমিক ৭৫ মিটার এবং গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়ায় ৮ দশমিক ৬৫ মিটার। গত ২৪ ঘণ্টায় তিনটি পয়েন্টেই পানি বেড়ে বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ২৪ ঘণ্টায় দৌলতদিয়ায় ৫ সেন্টিমিটার পানি বেড়ে বিপৎসীমার ৭৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পাংশার সেনগ্রামে ৭ সেন্টিমিটার বেড়ে ৬৫ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে এবং সদর উপজেলার মাহেন্দ্রপুরে ১২ সেন্টিমিটার বেড়ে পানি বিপৎসীমার ২৯ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, রাজবাড়ীর পাঁচটি উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নে পানিবন্দী গ্রামের সংখ্যা ৬৭, পরিবারের সংখ্যা ৭ হাজার ৫১৫। ইউনিয়নগুলো হলো রাজবাড়ী সদর উপজেলার মিজানপুর, খানগঞ্জ, চন্দনী, বরাট, গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া, উজানচর, দেবগ্রাম ও ছোট ভাকলা, পাংশা উপজেলার হাবাসপুর ও বাহাদুরপুর, কালুখালী উপজেলার রতনদিয়া ও কালিকাপুর এবং বালিয়াকান্দি উপজেলার নারুয়া। এসব পরিবারের অন্তত সাড়ে ২৮ হাজার মানুষ বসবাস করছে। জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে প্রতিদিন পানিবন্দী পরিবারের মধ্যে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হচ্ছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, মহাদেবপুর, মধ্য মহাদেবপুর, চরনারায়ণপুর, স্লুইসগেট এলাকা, বেনিনগর, বড়চর বেনিনগর, মেছোঘাটা, সিলিমপুর, চরসিলিমপুর প্রভৃতি এলাকায় লোকালয়ে পানি প্রবেশ করেছে। এতে করে মানুষের যাতায়াতের ক্ষেত্রে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। রাস্তার ধারে শুকনা স্থানে পানিবন্দী মানুষ গরু-ছাগল বেঁধে রেখেছেন। অনেকেই অভিযোগ করেন, তাঁরা কোনো ত্রাণ পাননি। কোনো জনপ্রতিনিধি তাঁদের দেখতে আসেননি।

মহাদেবপুর গ্রামের বাসিন্দা মো. শামীম বলেন, তাঁদের বাড়ির পাশেই বিদ্যালয়। বিদ্যালয় মাঠে কয়েক দিন ধরে পানি এসেছে। আগে একবার চলে গিয়েছিল। মাঠে পানি থাকায় ছেলেমেয়েরা খেলাধুলা করতে পারে না। সামনের রিংরোড ভেঙে গেছে বেশ আগে। ভাঙা রাস্তা দিয়ে লোকালয়ে পানি ঢোকা শুরু করেছে। কয়েক দিনের মধ্যে পুরো এলাকা প্লাবিত হয়ে যাবে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

একই গ্রামের বাসিন্দা আয়েশা বেগম বলেন, ‘আমার ছয়জন ছেলেমেয়ে। সবারই বিয়ে হয়ে গেছে। ছোট মেয়ের একটি সন্তান হওয়ার পর জামাই পাঠাই দিছে। সে আর আমি একটি ঘরে কোনোমতে থাকি। মেয়ে কাজ করে যা পায়, তাই দিয়ে সংসার চলে। আমরা কোনো সাহায্য সহযোগিতা পাই নাই।’

সালেহা বেগম নামের আরেক নারী বলেন, ‘বাড়িতে পানি উঠেছে সপ্তাহ দুয়েক। বাড়ি থেকে রাস্তায় ওঠার ভালো কোনো ব্যবস্থা নেই। অনেক দিন ধরে একটি রাস্তা করে দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি। এতে করে চলাফেরায় খুব সমস্যা হচ্ছে। ঘর স্যাঁতসেঁতে হয়ে আছে। বাড়ির গবাদিপশু নিয়েও বিপাকে রয়েছি।’

জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা সৈয়দ আরিফুল হক বলেন, জেলায় পানিবন্দী পরিবারের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ অব্যাহত রয়েছে। ইতিমধ্যে জেলার ক্ষতিগ্রস্ত ৬ হাজার ৭৭৫ জনকে খাদ্যসহায়তা দেওয়া হয়েছে। আরও এক হাজার পরিবারের জন্য শুকনা খাবার এসেছে। পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন এলাকায় খাদ্যসহায়তা দেওয়া হচ্ছে। আশা করছেন, ক্ষতিগ্রস্ত সবাই সহায়তা পাবেন।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

আমাদের পেজ