1. km.mintu.savar@gmail.com : admin :
  2. editor@biplobiderbarta.com : editor :
শিরোনাম:
দেশে করোনায় মৃত্যু বাড়ল, ৫১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত হয়েছে এক হাজার ৯০১ জন। দেশে আগস্টের চেয়ে সেপ্টেম্বরে ডেঙ্গু রোগী বাড়ছে পোশাক রপ্তানিতে ভিয়েতনামের চেয়ে আবার এগিয়ে বাংলাদেশ প্রণোদনা ঋণ ৩৬ কিস্তিতে পরিশোধের সুবিধা চায় বিজিএমইএ পোশাক খাতের ১৬ শতাংশ শ্রমিকের কম মজুরি পাওয়ার শঙ্কায় হাসেম ফুড কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে মালিকসহ দায়ীদের শাস্তি ও ক্ষতিপূরণের দাবি শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরী ২১ হাজার টাকা নির্ধারণসহ দশ দফা দাবীতে সাংবাদিক সম্মেলন শক্তি ফাউন্ডেশনের উদ্দ্যোগে পাবনা- কাশিনাথপুরে করোনা সচেতনতায়  মাস্ক বিতরণ: হাসেম ফুড কারখানায় আরও একটি খুলিসহ কঙ্কাল ও হাড় উদ্ধার গার্মেন্ট শ্রমিকদের সুরক্ষায় ৫০ ইউনিয়নের যৌথ বিবৃতি

বিধিনিষেধে কর্মী হয়রানি না করার বিকেএমইএর আহ্বান

বিপ্লবীদের বার্তা
  • প্রকাশ : সোমবার, ২৬ জুলাই, ২০২১
  • ১৩৫ বার পড়া হয়েছে

কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যে পোশাক কারখানার নিরাপত্তা নিশ্চিতসহ আনুষঙ্গিক কাজের স্বার্থে স্বল্পসংখ্যক কর্মী ও উদ্যোক্তাদের কারখানায় অবস্থানের ক্ষেত্রে হয়রানি না করতে আহ্বান জানিয়েছে নিট পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএ।

ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, চট্টগ্রাম, গাজীপুর, কুমিল্লা ও ফেনী জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত চিঠি দিয়ে সোমবার এই আহ্বান জানিয়েছে বিকেএমইএর সভাপতি এ কে এম সেলিম ওসমান।

বিকেএমইএর সভাপতি চিঠিতে বলেছেন, বড় বড় কারখানার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য কারখানার অভ্যন্তরে বাধ্যতামূলকভাবে কিছুসংখ্যক নিরাপত্তাকর্মী রাখতে হয়।

বিকেএমইএর সভাপতি চিঠিতে বলেছেন, বড় বড় কারখানার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য কারখানার অভ্যন্তরে বাধ্যতামূলকভাবে কিছুসংখ্যক নিরাপত্তাকর্মী রাখতে হয়। তা ছাড়া কারখানা বন্ধ থাকাকালে গ্যাস ও বিদ্যুতের চাপ (প্রেশার) বেশি থাকে। ফলে প্রতিনিয়ত গ্যাস ও বিদ্যুতের সুইচ বোর্ড পরীক্ষা-নিরীক্ষার মধ্যে রাখতে হয়। তা না হলে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা থেকে যায়। এই বিষয়গুলো তদারকির জন্যও কিছু কর্মীকে কারখানায় অবস্থান করতে হয়।

চিঠিতে বিকেএমইএর সভাপতি আরও বলেছেন, ‘চলমান বিধিনিষেধে কারখানার নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় কাজ সম্পন্ন করতে আসা-যাওয়ার সময় কর্মীদের পাশাপাশি উদ্যোক্তারাও বাধার সম্মুখীন হচ্ছেন। কারখানা খোলা দেখলেই প্রশাসনের লোকজন উদ্যোক্তাদের নানাভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করছেন। সে কারণে তাঁদের হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে। আমরা কোনোভাবেই চলমান বিধিনিষেধে কারখানার উৎপাদন কার্যক্রম চালানোর পক্ষে নই। তাই কোনো কারখানার উৎপাদন কার্যক্রম চলমান রাখলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে আমাদের আপত্তি নেই। তবে কারখানার নিরাপত্তা, গ্যাস ও বিদ্যুতের সুইচ বোর্ড তদারকি ও ব্যবস্থাপনা এবং যন্ত্রপাতি প্রতিনিয়ত পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য কিছুসংখ্যক কর্মী এবং প্রয়োজনে উদ্যোক্তারা উপস্থিত থাকলে তাঁদের হয়রানি না করার অনুরোধ জানাচ্ছি।

করোনা সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ সামলাতে চলতি বছরের এপ্রিলে সরকার বিধিনিষেধ দিলেও রপ্তানিমুখী পোশাকসহ অন্যান্য শিল্পকারখানা উৎপাদন চালানোর সুযোগ পায়। সর্বশেষ গত ২৮ জুন শুরু হওয়া সীমিত ও পরে ১-১৪ জুলাই পর্যন্ত কঠোর বিধিনিষেধেও পোশাকসহ অন্যান্য শিল্পকারখানা চালু ছিল। তবে গত শুক্রবার থেকে শুরু হওয়া কঠোর বিধিনিষেধে পোশাকসহ বেশির ভাগ শিল্পকারখানা বন্ধের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। ফলে আগামী ৫ আগস্ট পর্যন্ত পোশাক কারখানাসহ বেশির ভাগ শিল্পকারখানা বন্ধই থাকছে।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

আমাদের পেজ