1. km.mintu.savar@gmail.com : admin :
  2. editor@biplobiderbarta.com : editor :
শিরোনাম:
দেশে করোনায় মৃত্যু বাড়ল, ৫১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত হয়েছে এক হাজার ৯০১ জন। দেশে আগস্টের চেয়ে সেপ্টেম্বরে ডেঙ্গু রোগী বাড়ছে পোশাক রপ্তানিতে ভিয়েতনামের চেয়ে আবার এগিয়ে বাংলাদেশ প্রণোদনা ঋণ ৩৬ কিস্তিতে পরিশোধের সুবিধা চায় বিজিএমইএ পোশাক খাতের ১৬ শতাংশ শ্রমিকের কম মজুরি পাওয়ার শঙ্কায় হাসেম ফুড কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে মালিকসহ দায়ীদের শাস্তি ও ক্ষতিপূরণের দাবি শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরী ২১ হাজার টাকা নির্ধারণসহ দশ দফা দাবীতে সাংবাদিক সম্মেলন শক্তি ফাউন্ডেশনের উদ্দ্যোগে পাবনা- কাশিনাথপুরে করোনা সচেতনতায়  মাস্ক বিতরণ: হাসেম ফুড কারখানায় আরও একটি খুলিসহ কঙ্কাল ও হাড় উদ্ধার গার্মেন্ট শ্রমিকদের সুরক্ষায় ৫০ ইউনিয়নের যৌথ বিবৃতি

কঠোরতম বিধিনিষেধঃ ৫ আগস্ট পর্যন্ত পোশাক কারখানা বন্ধই থাকছে

বিপ্লবীদের বার্তা
  • প্রকাশ : শনিবার, ২৪ জুলাই, ২০২১
  • ১৩৮ বার পড়া হয়েছে

টানা দুই সপ্তাহ কারখানা বন্ধ থাকায় নানাভাবে ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে দাবি করছেন পোশাক ও বস্ত্র খাতের ব্যবসায়ীরা।

চলমান কঠোর বিধিনিষেধে কারখানা খোলা রাখার বিষয়ে সরকারের সঙ্গে দেনদরবার করেও সুবিধা করতে পারেননি রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক ও বস্ত্র খাতের ব্যবসায়ী নেতারা। আগামী ৫ আগস্ট পর্যন্ত তৈরি পোশাক ও বস্ত্র কারখানা বন্ধই থাকছে। ফলে করোনার সংক্রমণের এই উচ্চঝুঁকির মধ্যে শ্রমিকেরা নিজ নিজ অবস্থানে থাকার সুযোগ পাচ্ছেন।

অবশ্য টানা দুই সপ্তাহ কারখানা বন্ধ থাকায় নানাভাবে ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে দাবি করছেন পোশাক ও বস্ত্র খাতের ব্যবসায়ীরা। অন্যদিকে শ্রমিকনেতারা বলছেন, কারখানা বন্ধের অজুহাতে শ্রমিকের জুলাই মাসের বেতন কম দেওয়ার সুযোগ খুঁজতে পারেন অনেক কারখানার মালিক। সে রকম কিছু ঘটলে সরকারের হস্তক্ষেপ লাগবে।

করোনার সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউ সামলাতে চলতি বছরের এপ্রিলে সরকার বিধিনিষেধ আরোপ করলেও রপ্তানিমুখী পোশাকসহ অন্যান্য শিল্পকারখানা উৎপাদন চালানোর সুযোগ পায়। সর্বশেষ গত ২৮ জুন শুরু হওয়া সীমিত ও পরে ১ জুলাই থেকে কঠোর বিধিনিষেধেও পোশাকসহ অন্যান্য শিল্পকারখানা চালু ছিল। তবে ২৩ জুলাই, অর্থাৎ গতকাল শুক্রবার শুরু হওয়া কঠোর বিধিনিষেধে সব ধরনের শিল্পকারখানা বন্ধ থাকবে, এই প্রজ্ঞাপন জারির পর থেকে সরকারের সঙ্গে দেনদরবারে নামেন পোশাক ও বস্ত্র খাতের পাঁচ সংগঠনের নেতারা। মন্ত্রিপরিষদ সচিবের সঙ্গে বৈঠক করে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠিও দেন তাঁরা। তবে শেষ পর্যন্ত কিছুই কাজে আসেনি। সরকার নমনীয় হয়নি।

শুধু চামড়া, খাদ্য প্রক্রিয়াজাত, ওষুধ, অক্সিজেন ও করোনা প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় পণ্য উৎপাদন বিধিনিষেধের আওতামুক্ত রাখা হয়েছে।
বিজিএমইএর সহসভাপতি মো. শহিদউল্লাহ আজিম গতকাল বলেন, ‘ঈদের ছুটির পর কারখানা খোলার বিষয়টি পুরোপুরিভাবে সরকারের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে। সরকার বিধিনিষেধ শিথিল করলেই কারখানা খোলা যাবে, এমন সিদ্ধান্ত আমরা আমাদের সংগঠনের সদস্যদের অবহিত করেছি। তবে রপ্তানি কার্যক্রম চলবে।

অবশ্য গত সোমবার বিজিএমইএর সভাপতি ফারুক হাসান সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলোকে একটি খুদে বার্তা পাঠিয়ে বলেন, ‘পরিস্থিতির উন্নতি হওয়া সাপেক্ষে আগামী ১ আগস্ট থেকে শিল্পকারখানা পরিচালনার প্রস্তুতি রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করছি।

অন্যদিকে নিট পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএর সহসভাপতি মোহাম্মদ হাতেম বলেন, ‘আমরা সদস্য কারখানাগুলোকে ৫ আগস্ট পর্যন্ত ছুটি দিতে পরামর্শ দিয়েছি।’ অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যেসব ক্রয়াদেশের পণ্য প্রস্তুত আছে, সেগুলো রপ্তানিতে সমস্যা হবে না। তবে ঈদের পর উৎপাদন শুরু হলে যেসব ক্রয়াদেশের পণ্য রপ্তানির পরিকল্পনা ছিল, সেগুলো নিয়ে বিপদে পড়বেন ব্যবসায়ীরা। অনেক ক্ষেত্রেই ক্রেতা প্রতিষ্ঠান উড়োজাহাজে পণ্য পাঠাতে বলবে। কারণ, ইউরোপ-আমেরিকা স্বাভাবিক হওয়ায় বিক্রি বেড়েছে।

বিধিনিষেধের মধ্যে অনন্ত ডায়িং, স্পিনিং ও নিটিং কারখানা চালানোর সুযোগ দেওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন মোহাম্মদ হাতেম। তিনি বলেন, এসব কারখানায় বেশি শ্রমিক লাগে না। তাঁদের কারখানায় থাকার ব্যবস্থাও আছে। তাঁদের সুযোগ দিলে কিছুটা এগিয়ে থাকা যাবে।

ঈদের ছুটিতে থাকা শ্রমিকেরা একধরনের অনিশ্চয়তার মধ্যে আছেন বলে মন্তব্য করেন শ্রমিকনেতা বাবুল আখতার। তিনি বলেন, অনেক কারখানাই চলতি সপ্তাহে চালুর ঘোষণা দিয়েছিল। তাই ছুটির বিষয়ে শ্রমিকদের পরিষ্কার ধারণা দেওয়া দরকার। মালিকদের সঙ্গে সমন্বয় করে সরকার ঘোষণা দিলে শ্রমিকেরা আশ্বস্ত হবেন।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

আমাদের পেজ