1. km.mintu.savar@gmail.com : admin :
  2. editor@biplobiderbarta.com : editor :
শিরোনাম:
দেশে করোনায় মৃত্যু বাড়ল, ৫১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত হয়েছে এক হাজার ৯০১ জন। দেশে আগস্টের চেয়ে সেপ্টেম্বরে ডেঙ্গু রোগী বাড়ছে পোশাক রপ্তানিতে ভিয়েতনামের চেয়ে আবার এগিয়ে বাংলাদেশ প্রণোদনা ঋণ ৩৬ কিস্তিতে পরিশোধের সুবিধা চায় বিজিএমইএ পোশাক খাতের ১৬ শতাংশ শ্রমিকের কম মজুরি পাওয়ার শঙ্কায় হাসেম ফুড কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে মালিকসহ দায়ীদের শাস্তি ও ক্ষতিপূরণের দাবি শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরী ২১ হাজার টাকা নির্ধারণসহ দশ দফা দাবীতে সাংবাদিক সম্মেলন শক্তি ফাউন্ডেশনের উদ্দ্যোগে পাবনা- কাশিনাথপুরে করোনা সচেতনতায়  মাস্ক বিতরণ: হাসেম ফুড কারখানায় আরও একটি খুলিসহ কঙ্কাল ও হাড় উদ্ধার গার্মেন্ট শ্রমিকদের সুরক্ষায় ৫০ ইউনিয়নের যৌথ বিবৃতি

কোভিড-১৯ মহামারির প্রভাবে বিশ্বে তিনজনে একজন চাকরি হারাচ্ছেন

বিপ্লবীদের বার্তা
  • প্রকাশ : শুক্রবার, ২৩ জুলাই, ২০২১
  • ১০৭ বার পড়া হয়েছে

২০২০ সাল থেকে বিশ্ব আক্রান্ত হয়েছে করোনাভাইরাসে। এই কোভিড-১৯ মহামারির প্রভাব বিশ্বব্যাপী কর্মীদের ওপর ব্যাপকভাবে পড়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক জরিপ সংস্থা গ্যালাপের এক জরিপে দেখা গেছে, করোনা মহামারির এই সময়ে বিশ্বে প্রতি তিনজনের একজন চাকরি বা ব্যবসা হারিয়েছেন। পুরো বিশ্বের প্রেক্ষাপটে তুলনা করলে এমন মানুষের সংখ্যা ১০০ কোটিরও বেশি। ওই জরিপে আরও দেখা গেছে, ২০১৯ সালের চেয়ে ২০২০ সালে বিশ্বব্যাপী কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকা কর্মীর সংখ্যা ২ শতাংশ কমেছে। ২০১৯ সালে কাজের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকা কর্মীর সংখ্যা ছিল ২২ শতাংশ, ২০২০ সালে তা হয়েছে ২০ শতাংশ।

বিশ্বের ১১৬টি দেশের মানুষের ওপর ‘স্টেট অব দ্য গ্লোবাল ওয়ার্কপ্লেস ২০২১ ’-শীর্ষক এই সমীক্ষা চালিয়েছে গ্যালাপ। জরিপে দেখা গেছে, বিশ্বব্যাপী কর্মীদের মধ্যে প্রতিদিনই উদ্বিগ্নতা, চাপ, ক্রোধ ও দুঃখবোধ বাড়ছে। ৪১ শতাংশ কর্মী জানান, আগের দিনে তাঁরা অনেক উদ্বিগ্ন ছিলেন। ৪৩ শতাংশ জানান, আগের দিন ব্যাপক চাপে ছিলেন তাঁরা। ২৪ শতাংশ জানান, তাঁরা ক্রোধ অনুভব করেছেন। ২৫ শতাংশ অনুভব করেছেন দুঃখ। গ্যালাপের ওই প্রতিবেদনে দেখা যায়, বাংলাদেশের কর্মীদের উদ্বেগ, মানসিক চাপ, ক্রোধ ও দুঃখবোধ আগের বছরের তুলনায় ২০২০ সালে বেড়েছে। বাংলাদেশের ৫০ শতাংশ কর্মী জানান, আগের দিনে তাঁরা অনেক উদ্বিগ্ন ছিলেন। ৪১ শতাংশ জানান, আগের দিন ব্যাপক চাপে ছিলেন তাঁরা। ২৫ শতাংশ জানান, তাঁরা ক্রোধ অনুভব করেছেন। ৩৬ শতাংশ অনুভব করেছেন দুঃখ।

ওয়াশিংটনভিত্তিক জনমত জরিপ প্রতিষ্ঠান গ্যালাপ বলছে, করোনার কারণে হাসপাতালে ভর্তি হওয়া ও মৃত্যু, লকডাউন, স্কুল বন্ধ থাকায় ওপরের ফলাফল অবাক হওয়ার মতো নয়। করোনার কারণে মানুষের মধ্যে হতাশা বেড়েছে, টিকে থাকতে কোটি কোটি শ্রমিককে সংগ্রাম করতে হচ্ছে।
করোনাভাইরাসের কারণে সৃষ্ট বেশ কিছু পরিস্থিতির কথা তুলে ধরা হয়েছে গ্যালাপের ওই প্রতিবেদন। দেখা গেছে, সমীক্ষায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে যাঁরা এখনো চাকরি বা কাজে আছেন, তাঁদের অর্ধেকেরই আয় আগের চেয়ে কমে গেছে মহামারির এই সময়ে (২০২০ সালে)। ৫৩ শতাংশ কর্মী অস্থায়ীভাবে কাজ বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছেন। ৪৯ শতাংশ কর্মীর কর্মক্ষেত্রে বা ব্যবসায় আগের চেয়ে কর্মঘণ্টা কমেছে। ৩২ শতাংশ কর্মী চাকরি বা তাঁদের ব্যবসা হারিয়েছেন।

সমীক্ষায় দেখা গেছে, মধ্যপ্রাচ্য ও উত্তর আফ্রিকায় সর্বোচ্চ ৫৪ শতাংশ মানুষের জীবনে করোনার প্রভাব পড়েছে। এরপরই আছে যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা। তাদের ৫০ শতাংশ মানুষের ওপর করোনার প্রভাব পড়েছে। দক্ষিণ এশিয়ার ৪৯ শতাংশ মানুষের ওপর প্রভাব পড়েছে করোনার। অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের সর্বনিম্ন ২২ শতাংশ মানুষের ওপর প্রভাব পড়েছে। গ্যালাপের জরিপে উত্তরদাতাদের প্রতি তিনজনের একজন মহামারির মধ্যে চাকরি বা ব্যবসা হারিয়েছেন। পুরো বিশ্বের প্রেক্ষাপটে তুলনা করলে এমন মানুষের সংখ্যা ১০০ কোটিরও বেশি।
করোনার সময় সবচেয়ে বেশি কমেছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মানুষের আয়, ৬৭ শতাংশ। দক্ষিণ এশিয়ার ৫৫ শতাংশ মানুষের আয় কমেছে। এই হার সবচেয়ে কম পশ্চিম ইউরোপ। এখানকার ২৪ শতাংশ জানিয়েছেন, তাঁদের আয় কমেছে। দক্ষিণ এশিয়ার ৬৬ শতাংশ বলেছেন, তাঁরা সাময়িকভাবে কাজ থেকে ছিটকে পড়েছেন। ৫০ শতাংশ মানুষ বলছেন, করোনার কারণে তাঁরা চাকরি হারিয়েছেন। সবচেয়ে কম চাকরি হারিয়েছেন ইউরোপের মানুষ, ৬ শতাংশ।

২০০৫ সাল থেকে এই জরিপ করে আসছে গ্যালাপ। তবে এবারে জরিপের পদ্ধতি অনেকটায় পাল্টেছে। ২০২০ সালে কোভিড-১৯ মহামারির কারণে, আগের প্রতিষ্ঠিত পদ্ধতি ব্যবহার করে জরিপ পরিচালনা করা নিরাপদ ও সম্ভব ছিল না। তাই মুখোমুখি প্রশ্ন না করে ফোনে বা অন্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে এই জরিপ চালানো হয়। ১৫ ওপরের বয়সী মানুষের ওপর এই জরিপ চালানো হয়।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

আমাদের পেজ