1. km.mintu.savar@gmail.com : admin :
  2. editor@biplobiderbarta.com : editor :
শিরোনাম:
সংবর্ধনার মাধ্যমে সহকর্মীদের বিদায় জানালেন বেড়া মডেল থানার ওসি অরবিন্দ রায় । অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টি–টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের প্রথম জয় ১১ আগস্ট থেকে সবকিছুই খোলা থাকবে। তবে তা সীমিত পরিসরে। কয় পয়সা দাম গরিবের জীবনের, ক্ষেত্রবিশেষে মূল্যহীন বিধিনিষেধ চলাকালে শ্রমিকদের মাসে ৩ হাজার টাকা ঝুঁকি ভাতা দেওয়ার দাবি করোনায় ২৩৫ জনের মৃত্যু, রোগী শনাক্ত হয়েছে ১৫ হাজার ৭৭৬ জন। গার্মেন্ট শ্রমিকদের সীমাহীন দুর্ভোগের দায় নেবে কে? আরও ২৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে, নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে ১৫ হাজার ৯৮৯ জন। করোনায় ২৩১ মৃত্যু, শনাক্ত হয়েছে ১৪ হাজার ৮৪৪ জন রাস্তায় পড়ে থাকা ফিডের বস্তা ফিরিয়ে দিল আমিনপুর থানার পুলিশ |

করোনা টিকা ও ঝুঁকি ভাতা প্রদানের দাবীতে গার্মেন্ট শ্রমিক টিইউসির স্মারকলিপি পেশ।

Khairul Mamun Mintu
  • প্রকাশ : বুধবার, ৭ জুলাই, ২০২১
  • ১৩৯ বার পড়া হয়েছে

অতিমাত্রার ঝুঁকি বিবেচনায় বেতন-বোনাস প্রদানপূর্বক সাধারণ ছুটি ও ছুটির আগে লকডাউনকালে গার্মেন্ট শ্রমিকদের যাতায়াতের হয়রানি বন্ধ, ঝুঁকি ভাতা এবং টিকা প্রদানসহ স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত দাবীতে আজ ৭ জুলাই ২০২১ শ্রম প্রতিমন্ত্রী বরাবর স্বারকলিপি প্রদান করে গার্মেন্ট শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্র।

স্বারকলিপি প্রদানের সময় উপস্থিত ছিলেন গার্মেন্ট শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের সভাপতি শ্রমিকনেতা এড মন্টু ঘোষ ও কার্যকারী সভাপতি শ্রমিকনেতা কাজী রুহুল আমীন।

শ্রমিকনেতারা বলেন, চলমান কঠোর লকডাউনে জরুরি সেবা ব্যতীত পরিবহন, সরকারি-বেসরকারী অফিসসহ সবধরনের প্রতিষ্ঠান বন্ধ অথচ গার্মেন্ট মালিকদের আবদার অনুযায়ী কারখানা চালু রাখা হয়েছে। শ্রমিকদের জীবনের তুলনায় মালিকদের মুনাফাকে অধিক গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। শ্রমিকরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কারখানায় উৎপাদন অব্যাহত রেখেছেন। কিন্তু অত্যন্ত পরিতাপের বিষয় যে, শ্রমিকদের নিরাপদে কারখানায় যাওয়ার জন্য মালিকরা কোনো ধরনের দায়িত্ব পালন করছেন না।এমনকি কারখানাতেও কোনো ধরনের স্বাস্থ্য বিধি মানা হচ্ছেনা।যে শ্রমিকরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রেখেছে, সেই শ্রমিকদের জন্য অদ্যাবধি করোনা ভ্যকসিন প্রদানের কোন ব্যবস্থা করা হয়নি। এত বেশী ঝুঁকিতে থাকার পরেও শ্রমিকদের ঝুঁকি ভাতা প্রদানের কোন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়নি। মালিকদের এহেন দায়িত্বহীন আচরণ শ্রমিকদের জীবনের দুঃখ-কষ্টকে আরো অধিক মাত্রায় বাড়িয়ে দিয়েছে।

শ্রমিকনেতারা ০১। প্রতিদিনই ঝুঁকি বাড়ছে বিধায় বেতন-বোনাস প্রদান পূর্বক সাধারণ ছুটি দিতে হবে, ছুটির আগে লকডাউন চলাকালে গার্মেন্ট শ্রমিকদের নিবিঘ্নে নিরাপদ যাতায়াতের জন্য পরিবহণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।২। করোনাকালীন সময়ে ঝুঁকি ভাতা প্রদান করতে হবে। ৩। কারখানাভিত্তিক সকল শ্রমিকদের করোনা টিকা দিতে হবে।৪। আইসোলেশন ব্যবস্থা ও সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে হবে।৫। কোনো শ্রমিককে কোনোভাবেই চাকুরী থেকে অবসান করা যাবে না। পাঁচ দফা সুপারিশ বাস্তবায়নের লক্ষে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য জোর দাবী জানান।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

আমাদের পেজ