1. km.mintu.savar@gmail.com : admin :
  2. coderbruh@protonmail.com : demilation :
  3. editor@biplobiderbarta.com : editor :
  4. same@wpsupportte.com : same :
শিরোনাম:
নব্বইয়ের ১০ দফার সঙ্গে সবাই বিশ্বাসঘাতকতা করেছে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশি পোশাকের সুদিন, রপ্তানি বেড়েছে ৫১ শতাংশ দেশের শ্রমিকশ্রেণি কোন পথে-শহীদুল্লাহ্ চৌধুরী আগামী ১২ ডিসেম্বর সোমবার ২০২২ দেশব্যাপী সিপিবি’র বিক্ষোভ পার্বত্য চুক্তি যেন মানুষ ভুলে যায়, তার ব্যবস্থাই করেছে সরকার ও শাসক গোষ্ঠী ব্যাংক গুলো ফোকলা হয়ে গেছে- রুহিন হোসেন প্রিন্স লড়াই-সংগ্রাম জোরদার করতে ৫ জানুয়ারি গার্মেন্ট শ্রমিক টিইউসি’র জাতীয় কাউন্সিল সফল করুন আশুলিয়ায় টিচার্স আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষার মান উন্নয়নে অবিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত । তাজরীন গার্মেন্টস এর মালিক দেলোয়ার হোসেনকে শাস্তি দেওয়া পরিবর্তে তাকে পুরস্কৃত করা হয়েছে বিপ্লবের জগতে এক অগ্নিসম অগ্রদূতের নাম ফিদেল কাস্ত্রো

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে একদিনে সর্বোচ্চ ১৬৪ মৃত্যু, শনাক্ত ৯ হাজার ৯৬৪

Khairul Mamun Mintu
  • প্রকাশ : সোমবার, ৫ জুলাই, ২০২১
  • ৫৮৫ বার পড়া হয়েছে

দেশে এক দিনে করোনাভাইরাসে সংক্রমিত রোগী শনাক্ত ও মৃত্যুর সংখ্যায় নতুন রেকর্ড হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় (রোববার সকাল আটটা থেকে আজ সোমবার সকাল আটটা পর্যন্ত) করোনা সংক্রমণে ১৬৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। দেশে চলমান করোনা মহামারিকালে এটি একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে ৯ হাজার ৯৬৪ জনের। দেশে একদিনে করোনাভাইরাস সংক্রমিত রোগী শনাক্তের দিক থেকেও এটা সর্বোচ্চ।

আজ সোমবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। সব মিলিয়ে দেশে এ পর্যন্ত করোনা সংক্রমিত শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯ লাখ ৫৪ হাজার ৮৮১। মোট মৃত্যু হয়েছে ১৫ হাজার ২২৯ জনের। গত ২৬ জুন করোনায় মৃত্যু ১৪ হাজার ছাড়িয়েছিল।

অধিদপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর এখন পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ৮ লাখ ৩৯ হাজার ৮২ জন। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন ৫ হাজার ১৮৫ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় মোট ৩৪ হাজার ২ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষার বিপরীতে রোগী শনাক্ত দাঁড়িয়েছে ২৯ দশমিক ৩০ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে সবচেয়ে বেশি ৫৫ জনের মৃত্যু হয়েছে খুলনা বিভাগে। ঢাকা বিভাগে মৃত্যু হয়েছে ৪০ জনের। রংপুর ও রাজশাহী বিভাগে মারা গেছেন ১৬ জন করে এবং চট্টগ্রাম বিভাগে মারা গেছেন ১৮ জন। বাকিরা অন্য বিভাগের।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মানদণ্ড অনুযায়ী, কোনো দেশে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে কি না, তা বোঝার একটি নির্দেশক হলো রোগী শনাক্তের হার। কোনো দেশে টানা দুই সপ্তাহের বেশি সময় পরীক্ষার বিপরীতে রোগী শনাক্ত ৫ শতাংশের নিচে থাকলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে বলে ধরা যায়। সেখানে কয়েক দিন ধরে বাংলাদেশে রোগী শনাক্ত ২০ শতাংশের বেশি হচ্ছে।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম নতুন করোনাভাইরাস সংক্রমণ দেখা দেয়। পরে তা সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। দেশে প্রথম করোনা সংক্রমণ শনাক্ত হয় গত বছরের ৮ মার্চ। এরপর ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে সংক্রমণ। গত বছরের শেষ দিকে এসে সংক্রমণ কমতে থাকে। দেশে এ বছরের মার্চ থেকে নতুন করে করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যু বাড়তে থাকায় টানা বিধিনিষেধ চলছে।

এবার করোনার ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা শুরু হয় গত ঈদুল ফিতরের পরপরই। ভারত সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে রোগী দ্রুত বাড়তে থাকে। পরে তা আশপাশের জেলায়ও ছড়িয়ে পড়েছে। এক মাসের ব্যবধানে দৈনিক শনাক্ত রোগীর সংখ্যা, মৃত্যু ও শনাক্তের হার কয়েক গুণ বেড়েছে।
বর্তমানে দেশের অধিকাংশ জেলা করোনার ভয়াবহতার ঝুঁকিতে রয়েছে। ১৪ থেকে ২০ জুন নমুনা পরীক্ষা ও রোগী শনাক্তের হার বিবেচনায় নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সাপ্তাহিক রোগতাত্ত্বিক বিশ্লেষণে বলা হয়েছে, বাংলাদেশের ৬৪ জেলার মধ্যে ৪০টিই সংক্রমণের অতি উচ্চ ঝুঁকিতে রয়েছে।

পরিস্থিতি উদ্বেগজনক হওয়ায় ২২ জুন থেকে ঢাকাকে সারা দেশ থেকে অনেকটা বিচ্ছিন্ন রাখার সিদ্ধান্ত নেয় সরকার। সেই প্রচেষ্টায় ঢাকার আশপাশের চারটি জেলাসহ মোট সাতটি জেলায় জরুরি সেবা ছাড়া সব ধরনের চলাচল ও কার্যক্রম ৩০ জুন মধ্যরাত পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল। তবে এরপরও করোনা সংক্রমণ বাড়তে থাকায় সোমবার সকাল থেকে সারা দেশে সব গণপরিবহন ও মার্কেট-শপিং মল বন্ধ করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হয়েছে সর্বাত্মক লকডাউন, বন্ধ রয়েছে সব সরকারি-বেসরকারি অফিস। আজ সর্বাত্মক লকডাউন ১৪ জুলাই পর্যন্ত বাড়ানোর ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

আমাদের পেজ