1. km.mintu.savar@gmail.com : admin :
  2. editor@biplobiderbarta.com : editor :
শিরোনাম:
সংবর্ধনার মাধ্যমে সহকর্মীদের বিদায় জানালেন বেড়া মডেল থানার ওসি অরবিন্দ রায় । অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টি–টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের প্রথম জয় ১১ আগস্ট থেকে সবকিছুই খোলা থাকবে। তবে তা সীমিত পরিসরে। কয় পয়সা দাম গরিবের জীবনের, ক্ষেত্রবিশেষে মূল্যহীন বিধিনিষেধ চলাকালে শ্রমিকদের মাসে ৩ হাজার টাকা ঝুঁকি ভাতা দেওয়ার দাবি করোনায় ২৩৫ জনের মৃত্যু, রোগী শনাক্ত হয়েছে ১৫ হাজার ৭৭৬ জন। গার্মেন্ট শ্রমিকদের সীমাহীন দুর্ভোগের দায় নেবে কে? আরও ২৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে, নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে ১৫ হাজার ৯৮৯ জন। করোনায় ২৩১ মৃত্যু, শনাক্ত হয়েছে ১৪ হাজার ৮৪৪ জন রাস্তায় পড়ে থাকা ফিডের বস্তা ফিরিয়ে দিল আমিনপুর থানার পুলিশ |

শ্রমিকদের কাছে কেএম মিন্টু’র খোলা চিঠি

মোঃ রাকিবুল হাসান
  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ১ জুলাই, ২০২১
  • ৩০৭ বার পড়া হয়েছে

প্রিয় শ্রমিক ভাই ও বোনেরা শুভেচ্ছা নিবেন।
করোনা সংক্রমণ এখন অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। উচ্চমাত্রার সংক্রমণ সীমান্তবর্তী জেলাসমূহ থেকে রাজধানীমুখী হয়েছে, ছড়িয়ে পড়েছে গ্রামাঞ্চলে। এমন বাস্তবতায় আমাদের সকলের এবং পরিবারের সুরক্ষায় সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন জরুরি হয়ে পড়েছে। শতভাগ মাস্ক পরিধান নিশ্চিত করার বিকল্প নেই, স্বাস্থ্যবিধির প্রতি সামান্যতম অবহেলা করা যাবেনা।
কারখানার মালিকরা বলছেন যে, কারখানায় করোনা নেই, কর্মস্থল নিরাপদ রয়েছে।মালিকরা তাদের মুনাফার লোভে এসব কথা বলছেন।কারখানায় শ্রমিকদের জ্বর-ঠান্ডা-সর্দি লাগলেই তাদেরকে বলা হচ্ছে করোনা টেস্ট করার জন্য কিন্তু শ্রমিকরা করোনা টেষ্ট করতে গিয়ে হয়রানির স্বীকার হচ্ছে। যারকারনে কারখানায় শ্রমিকদের জ্বর-ঠান্ডা-সর্দি লাগলেই চাকুরী হারাচ্ছে।চাকুরী হারিয়ে শ্রমিকরা গ্রামে ফিরে যাচ্ছে, অন্যদিকে মালিকরা বলছেন, কারখানায় করোনা নেই-শ্রমিকরা আক্রান্ত হচ্ছেনা।

প্রিয় শ্রমিক ভাই ও বোনেরা।
আপনারা জানেন এই শ্রমিকরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দেশের অর্থনিতিকে সচল করে রেখেছে। অথচ কারখানা গুলোতে পর্যাপ্ত পরিমাণ স্বাস্থ্য বিধি মানা হচ্ছেনা।আমরা দাবী করে আসছি, শ্রমিকদের কারখানা ভিত্তিক করোনা টেষ্ট করার ব্যবস্থা করতে হবে, শ্রমিকদের জন্য কারখানার ভিতরে আইসোলেশন ব্যবস্থা করে চিকিৎসা করতে হবে। শ্রমিকদের জন্য কারখানা ভিত্তিক প্রত্যেক শ্রমিককে ভ্যকসিন দিতে হবে, লকডাউনে গনপরিবহন বন্ধ থাকা কালে গার্মেন্ট মালিকের ব্যবস্থাপনায় শ্রমিকদের আনা-নেওয়ার জন্য পরিবহণ ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।কিন্তু এখন পর্যন্ত এসব দাবী মানা হয়নি।

প্রিয় শ্রমিক ভাই ও বোনেরা।
আপনারা দেখতে পাচ্ছে যে, সরকার আজ মালিকদের কাছে জিম্বি হয়েগেছে তাই শ্রমিকরা মরুক বা বাঁচুক তা নিয়ে কারো কোন মাথা ব্যথা নেই।এই কঠোর লকডাউনের মধ্যে গার্মেন্ট কারখানা চালু করে রেখাছে অথচ গণপরিবহণ বন্ধ করে রাখা হয়েছে।তাই নিজে বাঁচাতে হলে কে কখন আপনার কি ব্যবস্থা করে দিবে তা অপেক্ষা না করে নিজের বাঁচার ব্যবস্থা নিজেকে করতে হবে। নিজ উদ্যোগে করোনা সংক্রমণ থেকে বাঁচতে স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলতে হবে। গার্মেন্ট মালিক বা সরকারের অপেক্ষায় থাকা যাবেনা। জীবনটা আপনার আপনাকেই রক্ষা করতে হবে। সরকার কিংবা মালিকরা শ্রমিকদের মানুষ মনে করেনা, তাদের দরকার মুনাফা, শ্রমিকের জীবন না।

সকলের স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলবেন, সুস্থ্য থাকবেন এই শুভকামনা।
শুভেচ্ছা্বসহ

খাইরুল মামুন মিন্টু
সাংগঠনিক সম্পাদক, গার্মেন্ট শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্র।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

আমাদের পেজ