1. km.mintu.savar@gmail.com : admin :
  2. coderbruh@protonmail.com : demilation :
  3. editor@biplobiderbarta.com : editor :
  4. same@wpsupportte.com : same :
শিরোনাম:
হারকিউলিস তোমাকে দেখিনা কোথাও সাঁথিয়ার পাইকরহাটী শহীদনগর উচ্চ বিদ্যালয়ে বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে এসএসসি প্রোগ্রাম চালু হচ্ছে | সিরাজগঞ্জের মিতা’র উদ্যোক্তা হয়ে ওঠার গল্প বাংলাদেশ মাইম এসোসিয়েশন কর্তৃক আয়োজিত ঢাকার জিগাতলা ফাতেমা ল কলেজে মূকাভিনয় কর্মশালা অনুষ্ঠিত পাবনা ঈশ্বরদীর কৃতি সন্তান চিকিৎসক ডা. রায়ান সাদী নোবেল পুরস্কারের জন্য মনোনীত || উদ্বোধন হলো পণ্যের আলো ই-কমার্স ওয়েভসাইট বিশ্ববাজারে ধারাবাহিকভাবে পড়ছে অপরিশোধিত তেলের দর দলীয় সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব নয়: মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম ইজিবাইক নিয়ে যেসব প্রশ্ন করে না গণমাধ্যম প্রয়োজন শুধু আত্মবিশ্বাস

দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে ১০১ জন মারা গেছেন। শনাক্ত হয়েছে ৩ হাজার ৪৭৩ জন।

Km Mintu
  • প্রকাশ : শনিবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২১
  • ৬৫৫ বার পড়া হয়েছে

পর পর দুদিন করোনায় শতাধিক মানুষের প্রাণহানির ঘটনা ঘটল। গত চব্বিশ ঘণ্টায় দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে ১০১ জন মারা গেছেন। আর নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে ৩ হাজার ৪৭৩ জন। আজ শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

গত ২৪ ঘণ্টায় (গতকাল শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে আজ শনিবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ১৬ হাজার ১৮৫ জনের। নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় রোগী শনাক্তের হার ২১ দশমিক ৪৬ শতাংশ।

এ পর্যন্ত দেশে মোট ৭ লাখ ১৫ হাজার ২৫২ জনের করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে মারা গেছেন ১০ হাজার ২৮৩ জন। মোট সুস্থ হয়েছেন ৬ লাখ ৮ হাজার ৮১৫ জন।

গতকাল করোনায় ১০১ জনের মৃত্যু হয়েছিল। আর ৪ হাজার ৪১৭ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছিল।

গত বছরের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা শনাক্তের কথা জানায় সরকার। গত বছরের মে মাসের মাঝামাঝি থেকে সংক্রমণ বাড়তে শুরু করে। আগস্টের তৃতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত শনাক্তের হার ২০ শতাংশের ওপরে ছিল। এরপর থেকে শনাক্তের হার কমতে শুরু করে।

গত জুন থেকে আগস্ট—এই তিন মাস করোনার সংক্রমণ ছিল তীব্র। মাঝে নভেম্বর-ডিসেম্বরে কিছুটা বাড়লেও বাকি সময় সংক্রমণ নিম্নমুখী ছিল। এ বছর মার্চে শুরু হয়েছে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ। প্রথম ঢেউয়ের চেয়ে এবার সংক্রমণ বেশি তীব্র। মধ্যে কয়েক মাস ধরে শনাক্তের চেয়ে সুস্থ বেশি হওয়ায় দেশে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যা কমে আসছিল। কিন্তু মার্চ থেকে চিকিৎসাধীন রোগীর সংখ্যাও আবার বাড়তে শুরু করেছে।

কোনো দেশে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আছে কি না, তা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ঠিক করা কিছু নির্দেশক থেকে বোঝা যায়। তার একটি হলো রোগী শনাক্তের হার। টানা দুই সপ্তাহের বেশি রোগী শনাক্তের হার ৫ শতাংশের নিচে থাকলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে বলে ধরা যায়। এ বছর ফেব্রুয়ারির শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত শনাক্তের হার ৩ শতাংশের নিচে ছিল। দুই মাস পর গত ১০ মার্চ দৈনিক শনাক্ত আবার হাজার ছাড়ায়। এরপর দৈনিক শনাক্ত বাড়ছেই।

জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশে করোনা সংক্রমণের দ্বিতীয় ঢেউয়ের পরিস্থিতি খারাপের দিকে যাচ্ছে। সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় গত ২৯ মার্চ বেশ কিছু বিধিনিষেধসহ ১৮ দফা নির্দেশনা জারি করেছে সরকার। এর মধ্যে ঘরের বাইরে গেলে মাস্কের ব্যবহার অন্যতম। কিন্তু সংক্রমণ আশঙ্কাজনকভাবে বাড়তে থাকলেও জনগণের মধ্যে স্বাস্থ্যবিধি মানার ক্ষেত্রে এখনো উদাসীনতা দেখা যাচ্ছে। জনস্বাস্থ্যবিদেরা বলছেন, সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ করতে হলে মাস্ক পরাসহ স্বাস্থ্যবিধি মানার বিকল্প নেই।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

আমাদের পেজ