1. km.mintu.savar@gmail.com : admin :
  2. editor@biplobiderbarta.com : editor :
শিরোনাম:
পবিত্র কোরআন ও হাদীসের আলোকে ওয়াদা ভঙ্গ করার ভয়াবহ পরিণাম !! প্রয়াসের উদ্যোগে সাঁথিয়ার কাশিনাথপুরে করোনা ভাইরাস বিষয়ে চিকিৎসা পরামর্শ ও ভলেন্টারি সেবা চালু । মোট আক্রান্ত হলেন ৬৫,৭৬৯ জন, আর মৃত্যু হয়েছে ৮৮৮ জনের। দেশের ১৩ জেলা আংশিক এবং ৫০ জেলা সম্পূর্ণ লকডাউন ঘোষণা শ্রমিক ছাঁটাইয়ের ঘোষনার প্রতিবাদে গার্মেন্টস শ্রমিক অধিকার আন্দোলনের সংবাদ সম্মেলন ট্রাম্পের নির্দেশে পাঠানো সেনা তাড়ালেন মেয়র মুরিয়েল বোসার যেভাবে শিশুদের স্কুলে ফেরাল ডেনমার্ক রাজধানীর দুই এলাকা দিয়ে কাল শুরু হচ্ছে জোলা ভিত্তিক লকডাউনের কাজ শ্রমিক ছাঁটাই করা হলে, আপনিও ছাঁটাই হয়ে যাবেন’- মন্টু ঘোষ গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩৫ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ২৬৩৫ জন

সিপিবি’র নেতা কমরেড হজরত আলীর প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত।

বিপ্লবীদের বার্তা রিপোর্ট :
  • প্রকাশ : সোমবার, ১৮ মে, ২০২০
  • ১৩৪ বার পড়া হয়েছে

আজ ১৮ মে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) ধামরাই শাখার সম্পাদক কমরেড হজরত আলীর ধামসোনা ইউনিয়ন শাখার উদ্যোগে বিকাল ৫ ঘটিকায়, আশুলিয়া থানা সড়ক নির্মান শ্রমিক ইউনিয়ন কার্যলয়ে প্রথম মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত।

ধামসোনা ইউনিয়ন শাখার সম্পাদক সাইফুল্লাহ আল মামুন এর সভাপতিত্বে বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্র সাভার-আশুলিয়া আঞ্চলিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক মঞ্জুরুল ইসলাম মঞ্জুর পরিচালয়ানায় স্মরণ সভায় বক্তব্য রাখেন ধামসোনা ইউনিয়ন শাখার সদস্য আব্দুস ছালাম ভুঁইয়া, লুতফর রহমান আকাশ, আলতাব হোসেন, মামুন দেওয়ান, নবীয়াল ফকীর, নদের চান মিয়া।

কমরেড হজরত আলী ১৯৫৭ সালের ১ নভেম্বর, গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জ থানার সুনাবো গ্রামে তিন ভাই তিন বোনের বাবা কাসম আলীর কৃষক পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। ১৯৭৫ সাল থেকে গাজীপুরের বিসিক শিল্প এলাকায় চাকুরীর সুবাদে শ্রমিকদের সংগঠিত করার জন্য ট্রেড ইউনিয়ন আন্দোলনে যুক্ত হন। কমরেড হজরত আলী গাজীপুরে বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রে’র সক্রিয় কর্মী ছিলেন। ১৯৮৫ সালে ধামরাইয়ের ইসলামপুর অবস্থিত মুন্নু সিরামিক্স কারখানায় ফায়ারিং সুপারভাইজার হিসেবে কাজে যোগদান করেন। শ্রমিকদের উপর সীমাহীন নির্যাতনের বিরুদ্ধে শ্রমিকদের সংগঠিত করে ১৯৯২ সালে মুন্নু সিরামিক্স কারখানায় শ্রমিক আন্দোলন গড়ে তোলেন। কমরেড হজরত আলী ১৯৮৫ সাল থেকেই বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সদস্য ছিলেন। ১৯৯০ সালে ঢাকা কমিটি’র সদস্য ছিলেন। শৈশব থেকেই সমাজের বঞ্চিত, অসহায়, দরিদ্রদের প্রতি এক ধরনের মমত্ববোধ তাঁর ভিতর তৈরি হতে থাকে।

কমরেড হজরত আলী ‘সবার জন্য বাসযোগ্য ঢাকা চাই’ আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন, বিভিন্ন সময় শ্রমিক ও ক্ষেতমজুর আন্দোলনে ভূমিকা রাখতেন। ২০০৮ সালে বাংলাদেশ কৃষক সমিতিতে যোগদান করে সাভার-ধামরাই এলাকার কৃষকদের সংগঠিত করে ফসলের ন্যায্যমূল্য আদায়, বিএডিসি, পল্লীবিদ্যুতের অনিয়ম দুর্নীতির বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তোলেন। কমরেড হজরত আলী পার্টির নিবেদিত প্রাণ ছিলেন, পার্টি’র সকল কর্মসূচিতে নিয়মিত অংশগ্রহণ করতেন। সবার সাথে ভালো ব্যবহার করতেন। কারোর উপর রাগ করে থাকতে পারতেন না। রানা প্লাজায় দুর্ঘটনার পর রানা প্লাজা শ্রমিকদের উদ্ধার কাজ এবং গার্মেন্ট শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের নেতৃত্বে গঠিত রানা প্লাজা শ্রমিকদের উদ্ধার ক্যাম্পে সক্রিয়ভাবে কাজ করেছেন।

কমরেড হজরত আলী বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি সিপিবি’র ধামরাই শাখার সম্পাদক ও সাভার উপজেলা কমিটির’র সদস্য এবং বাংলাদেশ কৃষক সমিতি’র সাভার-ধামরায় আঞ্চলিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক ছিলেন।

কমরেড হজরত আলী গত ১৮ মে ২০১৯ শনিবার সকাল ৯.৩০ মিনিটে ঢাকার এক বেসরকারি হাসপাতালে মৃত্যবরণ করেন। মৃত্যকালে স্ত্রী, দুই মেয়ে, দুই ছেলে রেখে গেছেন। কমরেড হজরত আলীকে পার্টির শ্রদ্ধানিবেদন শেষে তার গ্রামের বাড়ী গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জ থানার সুনাবো গ্রামে দাফন করা হয়।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর