1. km.mintu.savar@gmail.com : admin :
  2. editor@biplobiderbarta.com : editor :
শিরোনাম:
দেশে করোনায় মৃত্যু বাড়ল, ৫১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত হয়েছে এক হাজার ৯০১ জন। দেশে আগস্টের চেয়ে সেপ্টেম্বরে ডেঙ্গু রোগী বাড়ছে পোশাক রপ্তানিতে ভিয়েতনামের চেয়ে আবার এগিয়ে বাংলাদেশ প্রণোদনা ঋণ ৩৬ কিস্তিতে পরিশোধের সুবিধা চায় বিজিএমইএ পোশাক খাতের ১৬ শতাংশ শ্রমিকের কম মজুরি পাওয়ার শঙ্কায় হাসেম ফুড কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে মালিকসহ দায়ীদের শাস্তি ও ক্ষতিপূরণের দাবি শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরী ২১ হাজার টাকা নির্ধারণসহ দশ দফা দাবীতে সাংবাদিক সম্মেলন শক্তি ফাউন্ডেশনের উদ্দ্যোগে পাবনা- কাশিনাথপুরে করোনা সচেতনতায়  মাস্ক বিতরণ: হাসেম ফুড কারখানায় আরও একটি খুলিসহ কঙ্কাল ও হাড় উদ্ধার গার্মেন্ট শ্রমিকদের সুরক্ষায় ৫০ ইউনিয়নের যৌথ বিবৃতি

গার্মেন্ট শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্রের ত্রিপক্ষীয় সভা পরবর্তী বিবৃতি

বিপ্লবীদের বার্তা রিপোর্ট :
  • প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ১৪ মে, ২০২০
  • ৫৪১ বার পড়া হয়েছে

২০ মে’র মধ্যে বেসিকের সমান ঈদ বোনাস এবং মার্চ-এপ্রিলের বকেয়া মজুরি পরিশোধ করতে হবে
গার্মেন্ট শ্রমিক ট্রেড ইউনিয়ন কেন্দ্র ঈদের পূর্বে শ্রমিকদের সকল বকেয়া পাওনা এবং আইন অনুসারে বেসিকের সমান ঈদ বোনাস পরিশোধের দাবি জানিয়েছে।

আজ ১৪ মে ২০২০, বৃহস্পতিবার গার্মেন্ট টিইউসির সভাপতি শ্রমিকনেতা মন্টু ঘোষ এবং সাধারণ সম্পাদক শ্রমিকনেতা জলি তালুকদার এক বিবৃতিতে এ দাবি জানান। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, আগামী ২০ মে ২০২০ এর মধ্যে গার্মেন্ট শ্রমিকদের বেসিকের সমান ঈদ বোনাস, মার্চ ও এপ্রিল মাসের বকেয়া বেতন পরিশোধ করতে হবে। একইসাথে তারা সরকারি সিদ্ধান্ত অনুসারে করোনা মহামারীকালে সকল ছাটাইকৃত শ্রমিককে পুনর্বহাল, শ্রমিকের স্বাস্থ্যগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং কর্মরত অবস্থায় করোনা সংক্রমিত হলে সুচিকিৎসা ও উপযুক্ত আর্থিক ক্ষতিপূরণ প্রদানের দাবি জানান।

বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, চলমান মহামারী পরিস্থিতির আঘাতে নিম্ন আয়ের মানুষের জীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। এই অবস্থায় জরুরী ভিত্তিতে শ্রমিকদের আইনসঙ্গত পাওনাসমূহ পরিশোধ করা না হলে আক্ষরিক অর্থেই গার্মেন্ট শ্রমিকদের জীবন বাঁচানো সম্ভব হবেনা। নেতৃবৃন্দ বলেন, গার্মেন্ট টিইউসিসহ অন্যান্য শ্রমিক সংগঠন বছরের পর বছর শ্রমিকদের জন্য রেশন ও বাসস্থানের দাবিতে আন্দোলন করে আসছে। কিন্তু দেশে অদ্যবধি শ্রমিকের জন্য রেশন-বাসস্থান কিংবা অন্য কোন ধরণের সামাজিক নিরাপত্তার ব্যবস্থা গড়ে তোলা হয়নি। ফলে বেতন-ভাতাই দেশের শ্রমিকের বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন। এমতাবস্থায় চলমান করোনা মহামারী পরিস্থিতিতে শ্রমিকের হাতে অর্থ না পৌছালে তার পক্ষে বাড়ি ভাড়া এবং খোরাকি ব্যয় যোগান দেয়া সম্ভব হবে না। যার ফলে দেশের প্রায় ৮০ ভাগ রপ্তানী আয় করা গার্মেন্ট শিল্পের দক্ষ শ্রমশক্তি দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির শিকার হবে।

নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, সামগ্রিক অর্থনীতির বিবেচনায় সমাজের ৭০ ভাগ নিম্ন আয়ের মানুষের হাতে এই মুহূর্তে টাকা পৌছানো সম্ভব না হলে এই বৈশ্বিক মহাবিপর্যয়ের সময়ে তার চরম মূল্য দিতে হবে; যা ভয়াবহ দুর্ভিক্ষ পরিস্থিতির দিকেও গড়াতে পারে। তাই দেশ ও দেশের মানুষকে বাঁচাতে হলে, নিম্ন আয়ের মানুষের আয় কর্তনের নীতি থেকে এখনই সরকারকে সরে আসতে হবে।

শ্রমিকের ঈদ বোনাস প্রসঙ্গে আজ ১৪ মে ২০২০ শ্রম মন্ত্রণালয়ের ডাকা ত্রি-পক্ষীয় সভায় গার্মেন্ট টিইউসিসহ অন্যান্য শ্রমিক সংগঠনসমূহ আইন অনুসারে বেসিকের সমান ঈদ বোনাস পরিশোধের দাবি তুলে ধরে। কিন্তু মালিকপক্ষ সে অনুসারে বোনাস পরিশোধে অপারগতা প্রকাশ করে। এ প্রেক্ষিতে ২০ মে’র মধ্যে বেসিকের সমান ঈদ বোনাস, মার্চ ও এপ্রিলের বকেয়া বেতন পরিশোধসহ অন্যান্য দাবিতে আগামীকাল ১৫ মে ২০২০, শুক্রবার, বেলা ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বিক্ষোভ কর্মসূচী ঘোষণা করেছে।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

আমাদের পেজ