1. km.mintu.savar@gmail.com : admin :
  2. editor@biplobiderbarta.com : editor :
শিরোনাম:
সংবর্ধনার মাধ্যমে সহকর্মীদের বিদায় জানালেন বেড়া মডেল থানার ওসি অরবিন্দ রায় । অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টি–টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের প্রথম জয় ১১ আগস্ট থেকে সবকিছুই খোলা থাকবে। তবে তা সীমিত পরিসরে। কয় পয়সা দাম গরিবের জীবনের, ক্ষেত্রবিশেষে মূল্যহীন বিধিনিষেধ চলাকালে শ্রমিকদের মাসে ৩ হাজার টাকা ঝুঁকি ভাতা দেওয়ার দাবি করোনায় ২৩৫ জনের মৃত্যু, রোগী শনাক্ত হয়েছে ১৫ হাজার ৭৭৬ জন। গার্মেন্ট শ্রমিকদের সীমাহীন দুর্ভোগের দায় নেবে কে? আরও ২৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে, নতুন রোগী শনাক্ত হয়েছে ১৫ হাজার ৯৮৯ জন। করোনায় ২৩১ মৃত্যু, শনাক্ত হয়েছে ১৪ হাজার ৮৪৪ জন রাস্তায় পড়ে থাকা ফিডের বস্তা ফিরিয়ে দিল আমিনপুর থানার পুলিশ |

বিনা চিকিৎসায় মারা গেছেন করোনা আক্রান্ত সিপিবি নেতা বিকাশ সাহা -বাম গণতান্ত্রিক জোট

বিপ্লবীদের বার্তা রিপোর্ট :
  • প্রকাশ : মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল, ২০২০
  • ৪১২ বার পড়া হয়েছে

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) নারায়ণগঞ্জ মহানগরের ১৪ নম্বর ওয়ার্ড শাখার সাধারণ সম্পাদক হকার্স নেতা বিকাশ সাহা বিনা চিকিৎসায় মারা গেছেন বলে দাবি করেছে তার পরিবার। বলা হয়েছে, হাসপাতালে ভর্তির পর চরম অবহেলার শিকার হওয়ায় তিনি অকাল মৃত্যুবরণ করেছেন।

এদিকে করোনা দুর্গতদের মাঝে ত্রাণ কার্যক্রম পরিচালনা করতে গিয়ে করোনা আক্রান্ত হয়ে জীবন উৎসর্গকরী সিপিবি নেতা বিকাশ সাহার অকাল মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন বাম গণতান্ত্রিক জোট কেন্দ্রীয় পরিচালনা পরিষদের সমন্বয়ক বজলুর রশীদ ফিরোজ।

এক বিবৃতিতে তিনি বিকাল সাহার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমাবেদনাও জানিয়েছেন। এ ছাড়া সিপিবি সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম ও বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ সাধারণ সম্পাদক খালেকুজ্জামান পৃথক বিবৃতিতে শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন।

নারায়ণগঞ্জের দেওভোগ আখড়ার দীঘিরপাড় এলাকার বাসিন্দা বিকাশ সাহা করোনা আক্রান্ত হয়ে গত রবিবার কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। বিকাশ সাহার ছেলে অনির্বাণ সাহা জানান, কয়েকদিন তার বাবার জ্বর ছিলো। পরে শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। এরপর বাসা থেকেই তার নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। পরীায় করোনা পজেটিভ আসলে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

চিকিৎসা ব্যবস্থার ওপর চরম ক্ষোভ প্রকাশ করে অনির্বাণ সাহা সাংবাদিকদের বলেন, করোনা রোগীদের হাসপাতালে কোনো চিকিৎসা দেওয়া হয় না। ডাক্তার ও নার্সরা খবরও নেয় না। তিনি বলেন, বাবার শ্বাসকষ্ট ছিল। বারবার নার্স ডেকেছি। কিন্তু কেউ আসেনি। শনিবার বেলা একটার দিকে হাসপাতালে নিয়েছিলাম। ভর্তি নিয়েছে বিকেল ৪টায়। ভর্তির পর থেকে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত কোনো ডাক্তার আসেনি। এর চেয়ে বাসায় থাকলেও আমরা বেশি সেবা করতে পারতাম। চিকিৎসার অভাবেই বাবাকে হারিয়েছেন বলে তিনি দাবি করেন।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

আমাদের পেজ