1. km.mintu.savar@gmail.com : admin :
  2. editor@biplobiderbarta.com : editor :
শিরোনাম:
দেশে করোনায় মৃত্যু বাড়ল, ৫১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত হয়েছে এক হাজার ৯০১ জন। দেশে আগস্টের চেয়ে সেপ্টেম্বরে ডেঙ্গু রোগী বাড়ছে পোশাক রপ্তানিতে ভিয়েতনামের চেয়ে আবার এগিয়ে বাংলাদেশ প্রণোদনা ঋণ ৩৬ কিস্তিতে পরিশোধের সুবিধা চায় বিজিএমইএ পোশাক খাতের ১৬ শতাংশ শ্রমিকের কম মজুরি পাওয়ার শঙ্কায় হাসেম ফুড কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে মালিকসহ দায়ীদের শাস্তি ও ক্ষতিপূরণের দাবি শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরী ২১ হাজার টাকা নির্ধারণসহ দশ দফা দাবীতে সাংবাদিক সম্মেলন শক্তি ফাউন্ডেশনের উদ্দ্যোগে পাবনা- কাশিনাথপুরে করোনা সচেতনতায়  মাস্ক বিতরণ: হাসেম ফুড কারখানায় আরও একটি খুলিসহ কঙ্কাল ও হাড় উদ্ধার গার্মেন্ট শ্রমিকদের সুরক্ষায় ৫০ ইউনিয়নের যৌথ বিবৃতি

শ্রম আইনের ১২ এবং ১৬ ধারার বিধান ছাড়া বন্ধের কোন বিধান নেই-বিজিএমইএ

বিপ্লবীদের বার্তা রিপোর্ট :
  • প্রকাশ : বুধবার, ১৫ এপ্রিল, ২০২০
  • ৭৩২ বার পড়া হয়েছে

যেসকল কারখানা কোনো ধরনের ধারা উল্লেখ না করে বন্ধ ঘোষণা করেছে এবং যেসকল কারখানা আইনের ১২ এবং ১৬ ধারার বিধান উল্লেখ করে বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে সেসকল কারখানাকে লে-অফ (শ্রমিকরা বেতনের অর্ধেক পাবে, অন্যান্য সুযোগ সুবিধা পাবে) হিসেবে গণ্য করে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় থেকে ঘোষণা দেয়ার আহ্বান জানিয়েছে পোশাক মালিকদের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএ।

বুধবার (১৫ এপ্রিল) শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে পাঠানো এক চিঠিতে এই আহ্বান জানায় সংগঠনটি।

বিজিএমইএ থেকে পাঠানো চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বে করোন ভাইরাস সংক্রমিত হয়ে মহামারি রূপ নেয়ার কারণে আন্তর্জাতিক ক্রেতাগণ তাদের ক্রয়াদেশ বাতিলসহ চলমান অর্ডারের উৎপাদন কাজ বন্ধ রাখার নির্দেশ প্রদান করেছে। এ ছাড়াও ক্রেতাগণ উৎপাদিত পণ্য শিপমেন্ট না করা ও মজুতকৃত ফেব্রুজ না কাটার জন্য নির্দেশনা জারি করেছে।

এদিকে, করোনাভাইরাস মহামারি আকার ধারণ করায় সরকার মার্চ মাসের চতুর্থ সপ্তাহে যখন বন্ধের ঘোষণা দেয় তখন কারখানার মালিকদের ধারণা ছিল সল্প সময়ের মধ্যে কারখানা খুলে দেয়া যাবে। তাই মালিকরা শ্রম আইনের কোন ধরণের ধারা উল্লেখ না করে বন্ধ ঘোষণা করেন, কেউবা আইনের ১২ এবং ১৬ ধারার বিধান উল্লেখ করে বন্ধের ঘোষণা দেন। যদিও এ ধরণের পরিস্থিতিতে শ্রম আইনের ১২ এবং ১৬ ধারার বিধান ছাড়া বন্ধের কোন বিধান নেই।

চিঠিতে বিজিএমইএ উল্লেখ করে, ইতোমধ্যে অধিকাংশ কারখানা কর্তৃপক্ষ মার্চ মাসের মজুরি পরিশোধ করেছে। এপ্রিল মাসের মজুরি হিসেবকালে সরকার কর্তৃক ঘোষিত ৫০০০ কোটি প্রণোদনার টাকা গ্রহণের জন্য আবেদন করতে গিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে।

তাই যেসকল কারখানা কোন ধরণের ধারা উল্লেখ না করে বন্ধ ঘোষণা করেছে এবং যেসকল কারখানা আইনের ১২ এবং ১৬ ধারার বিধান উল্লেখ করে বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে সকল কারখানাকে লে-অফ হিসেবে গণ্য করে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় থেকে সুস্পষ্ট ঘোষণা দেয়ার জন্য আহ্বান জানানো হয়।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

আমাদের পেজ