1. km.mintu.savar@gmail.com : admin :
  2. editor@biplobiderbarta.com : editor :
শিরোনাম:
দেশে করোনায় মৃত্যু বাড়ল, ৫১ জনের মৃত্যু, শনাক্ত হয়েছে এক হাজার ৯০১ জন। দেশে আগস্টের চেয়ে সেপ্টেম্বরে ডেঙ্গু রোগী বাড়ছে পোশাক রপ্তানিতে ভিয়েতনামের চেয়ে আবার এগিয়ে বাংলাদেশ প্রণোদনা ঋণ ৩৬ কিস্তিতে পরিশোধের সুবিধা চায় বিজিএমইএ পোশাক খাতের ১৬ শতাংশ শ্রমিকের কম মজুরি পাওয়ার শঙ্কায় হাসেম ফুড কারখানায় অগ্নিকাণ্ডে মালিকসহ দায়ীদের শাস্তি ও ক্ষতিপূরণের দাবি শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরী ২১ হাজার টাকা নির্ধারণসহ দশ দফা দাবীতে সাংবাদিক সম্মেলন শক্তি ফাউন্ডেশনের উদ্দ্যোগে পাবনা- কাশিনাথপুরে করোনা সচেতনতায়  মাস্ক বিতরণ: হাসেম ফুড কারখানায় আরও একটি খুলিসহ কঙ্কাল ও হাড় উদ্ধার গার্মেন্ট শ্রমিকদের সুরক্ষায় ৫০ ইউনিয়নের যৌথ বিবৃতি

করোনা পরিস্থিতির মধ্যে পোশাক কারখানার ছুটি ১০ তারিখ পর্যন্ত বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন-বিকেএমইএ

বিপ্লবীদের বার্তা রিপোর্ট :
  • প্রকাশ : শনিবার, ৪ এপ্রিল, ২০২০
  • ৪৫৯ বার পড়া হয়েছে

করোনা পরিস্থিতির মধ্যে পোশাক কারখানার ছুটি ১০ তারিখ পর্যন্ত বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছেন নিট গার্মেন্টস ব্যবসায়ীদের সংগঠন বাংলাদেশ নিটওয়্যার ম্যানুফেকচারার্স অ্যান্ড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিকেএমইএ)।

শনিবার (৪ এপ্রিল) রাতে এক ভিডিও বার্তায় এ আহ্বান জানান সংগঠনটির প্রথম ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ হাতেম।

বিকেএমইএর এ নেতা বলেন, ‘পোশাক শিল্পের মালিকবৃন্দের প্রতি অনুরোধ থাকবে, যদি আপনাদের সুযোগ থাকে তাহলে সরকার যেহেতু ৯ তারিখ পর্যন্ত ছুটি বাড়িয়েছে আপনারাও শ্রম আইনের যে কোনো ধারা প্রয়োগ করে লে অফের ধারা হোক বা এমনিতে হোক, এই ছুটি ১০ তারিখ পর্যন্ত ইচ্ছে করলে বাড়িয়ে দিতে পারেন। তাহলে আমাদের বিশ্বাস মহামারি করোনা সংক্রমিত হওয়ার আশঙ্কা থেকে কিছুটা হলেও আপনারা নিরাপদ থাকবেন।’

ভিডিও বার্তায় তিনি আরও বলেন, ‘দেশের পোশাক কারখানাগুলো বন্ধ থাকবে এ ধরনের কোনো নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে ছিল না। পরবর্তীতে কলকারখানা পরিদর্শন অধিদফতর বা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে যে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল সেখানেও কিন্তু জরুরি প্রয়োজনে গার্মেন্টস কারখানা খোলা রাখারই নির্দেশনা ছিল। বিকেএমইএ ও বিজিএমইএর অবস্থান শুরু থেকে এমনই ছিল। একটা পর্যায়ে বিকেএমইএর একটা নির্দেশনায় ৪ তারিখ পর্যন্ত বন্ধের সিদ্ধান্ত যদিও দেওয়া হয়েছিল, তারপরও জরুরী প্রয়োজনে ফ্যাক্টরি খোলা রাখার কথা বলা হয়েছে। আগামীকাল থেকে যেহেতু ফ্যাক্টরিগুলো খোলা হচ্ছে বলা হচ্ছে সেক্ষেত্রে শ্রমিকরা দূর দূরান্ত থেকে ফিরে আসছে এমন সংবাদ বিভিন্ন প্রচার মাধ্যমে এসেছে।’

‘এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন ফ্যাক্টরি বন্ধ থাকলেও শ্রমিকদের তাদের স্ব স্ব অবস্থানে অবস্থান করার কথা বলা হয়েছিল। তাদের দেশের বাড়িতে ফিরে যেতে নিষেধ করা হয়েছিল। আমরা চাই না কোনোভাবেই করোনাভাইরাস মহামারি রূপ নিক, সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ুক। ফ্যাক্টরি কিন্তু আমরা সতর্কতার সঙ্গে চালিয়েছি। গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিতে আমরা কিন্তু নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা আমরা নিয়েছি। কারখানায় সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে বলা হয়েছে।’

ভিডিও বার্তায় তিনি আরও বলেন, ‘দেশের পোশাক কারখানাগুলো বন্ধ থাকবে এ ধরনের কোনো নির্দেশনা প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে ছিল না। পরবর্তীতে কলকারখানা পরিদর্শন অধিদফতর বা জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে যে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছিল সেখানেও কিন্তু জরুরি প্রয়োজনে গার্মেন্টস কারখানা খোলা রাখারই নির্দেশনা ছিল। বিকেএমইএ ও বিজিএমইএর অবস্থান শুরু থেকে এমনই ছিল। একটা পর্যায়ে বিকেএমইএর একটা নির্দেশনায় ৪ তারিখ পর্যন্ত বন্ধের সিদ্ধান্ত যদিও দেওয়া হয়েছিল, তারপরও জরুরী প্রয়োজনে ফ্যাক্টরি খোলা রাখার কথা বলা হয়েছে। আগামীকাল থেকে যেহেতু ফ্যাক্টরিগুলো খোলা হচ্ছে বলা হচ্ছে সেক্ষেত্রে শ্রমিকরা দূর দূরান্ত থেকে ফিরে আসছে এমন সংবাদ বিভিন্ন প্রচার মাধ্যমে এসেছে।’

‘এখানে উল্লেখ করা প্রয়োজন ফ্যাক্টরি বন্ধ থাকলেও শ্রমিকদের তাদের স্ব স্ব অবস্থানে অবস্থান করার কথা বলা হয়েছিল। তাদের দেশের বাড়িতে ফিরে যেতে নিষেধ করা হয়েছিল। আমরা চাই না কোনোভাবেই করোনাভাইরাস মহামারি রূপ নিক, সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ুক। ফ্যাক্টরি কিন্তু আমরা সতর্কতার সঙ্গে চালিয়েছি। গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিতে আমরা কিন্তু নিরাপত্তামূলক ব্যবস্থা আমরা নিয়েছি। কারখানায় সবাইকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে বলা হয়েছে।’

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরো খবর

আমাদের পেজ